somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

শাওন আহমাদ
স্বপ্নপূরণই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়।তাই বলে স্বপ্নকে ত্যাগ করে নয়,তাকে সঙ্গে নিয়ে চলি।ভালো লাগে ভাবতে, আকাশ দেখে মেঘেদের সাথে গল্প পাততে, বৃষ্টি ছুঁয়ে হৃদয় ভেজাতে, কলমের খোঁচায় মনের অব্যক্ত কথাগুলোকে প্রকাশ করতে...

দাদুরা বুঝি এমনই হন

১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



সবুজের বুক চিরে ঝকঝক করে বাড়ির পথে এগিয়ে চলেছে ট্রেন। আনমনে জানলার দিকে তাকিয়ে সবুজের ছুটে চলা দেখছি। সদ্য ধোয়া রাস্তার পাশে শুকাতে দেওয়া পাটের গন্ধ এসে নাকে লাগছে। চোখ বন্ধ করে সেই গন্ধ গভীর শ্বাসে টেনে নিচ্ছি বুকের ভেতর। কেন জানি না, এই গন্ধটা আমার ভীষণ পছন্দের। হতে পারে ছেলেবেলার স্মৃতির সাথে জড়িয়ে থাকার কারণেই এই ভালো লাগা।


এই সময়টাতে আমাদের স্কুলের মাঠে বাঁশের আড় পেতে তাতে পাট শুকাতে দেওয়া হতো। মাঠের প্রায় অধিকাংশ জায়গা দখল করে রাখত পাটকাঠির ছোট ছোট ঘর। পাটকাঠির আঁটিগুলো এভাবে গোল গোল করে ছড়িয়ে শুকাতে দেওয়া হতো; দেখতে দক্ষিণ আফ্রিকার জুলু উপজাতির ঐতিহ্যবাহী 'রন্ডাভেল' কুঁড়েঘরের মতো মনে হতো।


আমরা স্কুল শেষে সহপাঠীরা মিলে সেই পাটকাঠির ঘরে গিয়ে খেলা করতাম। সবার আলাদা আলাদা ঘর থাকত। আড়ে শুকাতে দেওয়া পাটের আড়ালে লুকোচুরি খেলতাম। ঝাঁকে ঝাঁকে গঙ্গা ফড়িংয়ের দল আমাদের খেলায় সামিল হতো। আমরা খানিক সময় লুকোচুরি খেলতাম তো খানিক সময় ফড়িংয়ের পেছনে ছুটতাম। কী সব বাহারী রঙের ফড়িং ছিল! কী গাঢ় সে রং! দেখে মনে হতো এইমাত্রই কেউ বুঝি ওদের গা রাঙিয়ে দিয়েছে। ছুটাছুটি করতে গিয়ে ভেজা পাটের আঁশ এসে নাকে মুখে লাগত। সেই গন্ধ আজও মনে গেঁথে আছে।


ট্রেন ক্রসিংয়ে দাঁড়িয়ে আছে। হকারদের হাঁকডাকে ট্রেনের ভেতর গমগম করছে। কল্পনার স্কুলমাঠ ছেড়ে যাত্রীদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের গল্প পড়ার চেষ্টা করছি। প্রতিটি মানুষ আমার কাছে খোলা বইয়ের মতো। তাদের মুখের দিকে তাকিয়ে তাদের গল্প পড়তে ভীষণ ভালো লাগে। বাড়িতে গিয়ে কে কী করবে, সেসব নিয়ে তারা আলোচনা করছে। প্রায় সবার চোখ-মুখেই বাড়ি ফেরার উচ্ছ্বাস। কিন্তু আমার মধ্যে এর ছিটেফোঁটাও টের পাচ্ছি না। মা চলে যাওয়ার পর এখন আর বাড়ি যাওয়ার জন্য আমার মন কেমন করে না। কোনো পরিকল্পনা থাকে না। কোনো উত্তেজনাও কাজ করে না।


আমি আসলে যেতেই চাই না বাড়ি, কিন্তু আমার দাদুর (দাদি) জন্য না গিয়ে পারি না। মা-আব্বা চলে যাওয়ার পর এই মানুষটিই আমার খোঁজখবর রাখেন। ফোন করে কথা বলেন। আমি না ফোন করলে অভিমান করেন। বাড়ি গেলে মাথায়-শরীরে হাত বুলিয়ে ঝরঝর চোখের পানি ফেলে বাচ্চাদের মতো কাঁদেন। সবকিছু উপেক্ষা করতে পারলেও তাঁর এই নির্ভেজাল ভালোবাসা উপেক্ষা করার শক্তি সৃষ্টিকর্তা আমাকে দেননি। এই যে বাড়ি যাচ্ছি, এটা আসলে তাঁর জন্যেই যাচ্ছি।


বাড়িতে যাওয়ার পর তিনি কী যে খুশি হন! কী রেখে কী খেতে দেবেন—সে এক এলাহি কাণ্ড! মিটসেফ থেকে বিস্কুট-চানাচুর বের করে আনবেন, আলমারি থেকে আমার পছন্দের আচারের বয়াম টেনে নামাবেন, ফ্রিজে আমার জন্য ফ্রোজেন করে রাখা গাছের লিচু, ফালি করে রাখা আম—সবকিছু এনে সামনে রাখবেন। তারপর বলবেন, “এহন খাও।” আমি যদি বলি, “এত খাবার একসাথে কীভাবে খাব? রেখে দিই, পরে খেয়ে নেব,” তাঁর এক কথাই— “না, তুমি আমার সামনে বইসা খাও। না হইলে পরে ভুইলা যাইবা আর খাইবা না।” আমি তাঁর মায়া জড়ানো মুখের দিকে তাকিয়ে কান্না লুকিয়ে মনে মনে সৃষ্টিকর্তাকে বলি, “তুমি এই মানুষটিকে আরও হাজার বছর আয়ু দান করো।”


আমাদের বাড়িটা বেশ পুরোনো। একটা সময় পুরো বাড়িটা অনেক প্রাচীন গাছ দিয়ে ঠাসা ছিল। আমি ছেলেবেলায় পাখিদের সাথে পাল্লা দিয়ে এসব গাছে চড়ে বেড়িয়েছি, ফল পেড়ে খেয়েছি। কত স্মৃতি ছিল গাছগুলোর সাথে! বাড়ি সংস্কারের সময় অপ্রয়োজনীয়ভাবেই অনেক গাছ কেটে ফেলা হয়েছে। যে কাজের অজুহাতে গাছগুলো কাটা হয়েছে, সেই কাজ গাছ না কেটেই করা যেত। যাই হোক, আমার দাদু তাঁর ছেলেদের সাথে একপ্রকার যুদ্ধ করেই একটা আমগাছের জীবন রক্ষা করতে পেরেছেন। প্রতি বছর সেই গাছ প্রতিদানস্বরূপ ফল দিয়ে ভরিয়ে দেয় আমাদের।


কোরবানির ঈদে বাড়ি গিয়ে দেখি, গাছে কাঁচা-পাকা বেশ কিছু আম আছে। আমি একটা বাঁশের কোটা (লগি) নিয়ে আম পাড়ছিলাম খাওয়ার জন্য। তখন আমার আম্মু (কাকি) হেসে হেসে বললেন, “আম পেড়ে খান। আপনার দাদু আপনার জন্য কাউকে গাছের আম পাড়তে দেননি। বলেছেন, পাড়লে তো সব আম তাড়াতাড়ি শ্যাষ হইয়া যাইব। আর না পাড়লে পাইকা গিয়া যা পড়ব, তা কুড়াইয়া খাইলে আপনি বাড়িতে আসা পর্যন্ত গাছে আম কিছু হলেও থাইকা যাইব। এখন আপনি এসেছেন, এখন আমরা সবাই আম পেড়ে খেতে পারব। আর কোনো বাধা নেই।”

স্বার্থপর এই পৃথিবীতে নির্মল ভালোবাসার মানুষ ছাড়া এমন চিন্তা আর কে করতে পারে?

দাদু কিছুদিন আগে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় মাথা ঘুরে পড়ে গিয়ে অ্যাসিটাবুলাম (হিপ সকেট) ভেঙে গিয়েছে, কৃত্রিম লাগালেও খুব একটা হাঁটতে পারেন না। ঘর আর বারান্দাতেই এখন তাঁর বেশি সময় কাটে। মাঝেমধ্যে খুব বেশি ইচ্ছে করলে লাঠিতে ভর দিয়ে উঠনে হেঁটে বেড়ান।

তাঁর রুমে গেলে তিনি আগের মতো এটা-ওটা বের করে দিতে না পারলেও শুয়ে শুয়ে বলতে থাকেন, “দ্যাহো, মিটসেফের উপ্রে নীল রঙ্গের একটা বাক্স আছে, সেইহানে তোমার লিগা মিষ্টি আছে, খাও। আলমারির তাকে সাদা রঙ্গের নেটের ব্যাগে তোমার লিগা আঙুর রাখছি, খাইয়া দ্যাহো কী মিষ্টি! টেবিলের নিচে আমার পানের বাটায় দ্যাহো বড়ই আছে, তোমার ছোট ফুফা নিয়া আইছিলো, আমি তোমার জন্য আলাদা কইরা তুইলা রাখছি।”


আমি এসব বের করে দাদুর মাথার পাশে বসে খেতে খেতে দাদুর সাথে কথা বলি। আনন্দ-অশ্রুতে আমার চোখ ভেসে যাওয়ার উপক্রম হয়। আমি দাদুকে সে জল দেখতে দিই না। কথা বলতে বলতে শার্টের হাতায় মুছে ফেলি।


দাদুও আমাকে ছাড়তে চান না। যেন তাঁর সাথে আরও বেশি সময় থাকি, তাই তিনি এটা-ওটা কাজ খুঁজে বের করেন। বলেন, “দ্যাহো, আমার নখটি কত বড় অইছে, এগুলা কাইটা দেও তো।” তাঁর হাতে-পায়ে হাত দিয়ে দেখি নখ ছোটই আছে—হয়তো দু-একদিন আগেই কেউ কেটে দিয়েছে। আমি নেইল কাটার হাতে নিয়ে সেই নখই কেটে দেওয়ার ভান করি। আবার কখনো মাথাভর্তি তেল থাকার পরেও বলেন, “আমার চান্দিডা গরম হইয়া আছে, একটু কদুর ত্যাল দিয়া দেও।” আমি তেলভরা মাথায় হাত বুলিয়ে চুলগুলো আলতো করে টেনে দিই। দাদু তৃপ্তি নিয়ে চোখ বন্ধ করে থাকেন।


কখনো কখনো আমি নিজেই দাদুর কপালে হাত দিয়ে বলি, “দাদু, তোমার তো কপালের পাশের রগ লাফাচ্ছে, মাথা ব্যথা করছে তাই না? দাড়াও, বাম লাগিয়ে মাথা টিপে দিই।” দাদু মাথা নাড়েন। আমি মাথা টিপে দিতেই দাদু ঘুমিয়ে যান। এটা আমার ভীষণ ভালো লাগে। ঘুমালে দাদুকে কী যে মায়াবী লাগে দেখতে!


ঈদের ছুটি শেষে যেদিন চলে আসছিলাম, দাদু বারান্দায় কাউচে শুয়ে ছিলেন। এই কাউচটা দাদার জন্য ফরমাইশ দিয়ে বিশেষ করে বানানো হয়েছিল। তিনি শেষ জীবনের অনেকটা সময় এখানে শুয়ে কাটিয়েছেন। দাদা চলে যাওয়ার পর এখন দাদু এই জায়গাটাকে আপন করে নিয়েছেন। হয়তো দাদার গন্ধ খুঁজে পান এখানে।


কাঁধে ব্যাগ দেখে দাদু বুঝে ফেললেন আমি চলে যাচ্ছি। মুখের দিকে তাকিয়ে দেখলাম, তাঁর চোখ বর্ষার ভরা নদী হয়ে আছে; যেকোনো সময় পানি উপচে পড়ে আশেপাশের সবকিছু ভাসিয়ে দেবে। আমি কোনোমতে নিজেকে সামলে নিয়ে দাদুকে বললাম, “চলে যাচ্ছি, ভালো থেকো আর ঠিকমতো খাবার খেয়ো।” দাদুও আমাকে বললেন, "তুমিও ঠিকমতো খাইয়ো, কারো সাথে ঝামেলা কোইরো না, রাত জাইগো না, মন খারাপ কইরা থাইকো না, আর মাঝে মাঝে ভিডিও কল দিও। তোমার লিগা কিছু আম কুড়াইয়া রাখছি আর কিছু কাঁঠালের বিচি শুকাইয়া রাখছি, তোমার ছোট আম্মুর (কাকি) কাছ থিকা নিয়া যাও।”


একদিন ফোনে কথা বলার সময় কাঁঠালের বিচির কথা বলেছিলাম, সেটা দাদু মনে রেখে আমার জন্য এগুলো জমিয়ে রেখেছেন। অসুস্থ শরীর নিয়ে লাঠিতে ভর করে আমার জন্য আম কুড়িয়েছেন! এসব ভেবে চোখের কার্নিশ ডুবে যাওয়ার অবস্থা। দাদু কান্না দেখে ফেলবেন—এই ভয়ে আম্মুর কাছ থেকে সেগুলো নিয়ে দ্রুত বেরিয়ে পড়লাম।


ছেলেবেলার অনেকটা সময় আমার দাদুর সাথে কেটেছে। মা অসুস্থ থাকার কারণে দাদুই আমার দেখভাল করতেন, আগলে রাখতেন। কেউ কিছু বললে চিলের মতো উড়ে এসে রক্ষা করতেন। দাদুর জন্য আব্বাও খুব একটা শাসন করতে পারতেন না। গায়ে হাত তুললেই দাদু এসে আব্বাকে বকাঝকা করতেন। যেখানে যেতেন, সেখানেই সঙ্গে করে নিয়ে যেতেন। আমিও দাদুকে চোখে হারাতাম। কিছু সময় না দেখলে উঠোনে গড়াগড়ি করে কান্না করতাম। এসব নিয়ে আমাদের প্রতিবেশীরা কী যে হাসাহাসি করতেন! এখনো তারা এসব নিয়ে আমার সাথে মজা করেন।


আব্বা-আম্মা চলে যাওয়ার পর মনে হতো, আমার আর হারানোর কিছু রইল না। এখন আর কোনো কিছু হারানোর ভয় নেই আমার। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই দাদুকে হারানোর ভয় আমাকে গ্রাস করল। আমি প্রতিমুহূর্তে মানুষটাকে হারানোর ভয়ে থাকি এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে একটাই প্রার্থনা করি—তিনি যেন দাদুকে সুস্থভাবে আরও অনেক অনেক বছর বাঁচিয়ে রাখেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


৭ই নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস....

দেখা হবে যুদ্ধ ফুরোলে সন্ধের মাহফিলে;
দেখা হবে ঠিক চেনা রাস্তার অচেনা-অন্ত্যমিলে।
ছড়াব আবার শস্যের দানা দেশ থেকে মহাদেশে
মানুষই জেতে, খুঁজে নেয় আলো অন্ধকারের শেষে...

তোমার গল্পে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বস্ত্রশিল্পের জন্য আমি সরকারের যথাযথ স্থানে থাকলে কি করতাম !!!

লিখেছেন অপলক , ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:১৬



গত ১০ দিন হল দেশের বস্ত্র শিল্পের উপর আঘাত খুব চিন্তার বিষয়। অনেক আগে বিচ্ছিন্নভাবে বস্ত্রশিল্প নিয়ে কথা বলেছিলাম। আজ সব মিলিয়ে কিছু চিন্তা করলাম। তার কিছু এখানে নোট... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য নির্মূলে পাঁচ বছর মেয়াদি একটি সমন্বিত নগর পরিকল্পনা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:১৭


প্রস্তাবিত প্রকল্প: স্বাবলম্বী বাংলাদেশ - দারিদ্র্যমুক্তির নতুন নগর

আমি যদি সরকারের দারিদ্র্য নির্মূল বিভাগের প্রধান হতাম, তাহলে আমার প্রথম লক্ষ্য হতো বাংলাদেশের চরম দারিদ্র্য সীমার নিচে বাস করা ১ কোটি ৭০... ...বাকিটুকু পড়ুন

Sajna

লিখেছেন আরমান আরজু, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৩:৩১



Sajna
Love is sacred;
Commences from the intense mystery of pure souls.
Has a beginning, but no end;
Here, only peace prevails.
So, love—
Solely for the sincere and the disenchanted,
Not for the pharisaic.
...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লব সংহতি দিবস সফল ও সার্থক হোক.....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:১১



আজকে নাকি বিপ্লব সংহতি দিবস। দল ক্ষমতায় থাকলে অনেক রকমের দিবস পালিত হয়। আওয়ামী লীগের সময় শেখ জামাল-কামালের বিবাহ দিবস, শিশু শহীদ শেখ রাসেলের সুন্নাতে খৎতা দিবস আরো কতো কি?... ...বাকিটুকু পড়ুন

×