বেশ আগেই পড়েছিলাম- সোনালী কাবিন। তারপর- পরানের গহীন ভিতর। তবে যে নাম না জানা অখ্যাত কবির কবিতা আমাকে উদ্বুদ্ধ করেছিলো মৃত্তিকার কবিতা লিখতে- তাঁর নাম মহীউদ্দিন খান চৌধুরী। কবির বাড়ি কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জে। আমার শ্রদ্ধা আজীবন মহীউদ্দিন খান চৌধুরী-এর জন্য। তাঁর একটি কবিতা-
পিরীতির নক্শা/ মহীউদ্দিন খান চৌধুরী
দিলাম সুবারী আমি খাইলাগো পান
কিমাম ও সাদা পাতা আরো দিছি চূন
তালের পাংকা দিয়া জুড়াইছি পরান
শেষমেষ মাইরা গেলা কপালে হাছুন।
জীবন বিলায়া দিয়া বান্দছিলাম ঘর
করছি সুখের আশা পাইছি নাগর,
ভাসেরে ফরুর দানা ঘুরতাছে খুলি
শখের লাঙ্গল কর এক কুবে চেলী।
কই গেলা প্রান বন্ধু তুল্ল্যা গাঙে ঢেউ
ঢেউতো মিলায়া যায় মারলা আমারেও
বাসী কৈর্যা চৈলা গেলা অও নিরুদ্দেশ
অভাগীর বুকে শেল মারলা তো বেশ।
তুষের অনলে পুড়ি বারোয়ছে ফোস্কা
এই বুঝি মাইনষের 'পিরীতির নস্কা'!
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৭ বিকাল ৪:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


