ফেলানিরা মরছে প্রতিনিয়ত। বন্ধুপ্রতিম দেশের বন্ধুত্ব পূর্ণ গোলার আঘাতে পঙ্গুও হচ্ছে অনেকে। অবশ্য বন্ধুদের গুলির নিশানা ঠিক আছে কিনা তা পরীক্ষার জন্য এমন দু-চারজনের মৃত্যু বা পঙ্গুত্ব নিয়ে কথা বলা লজ্জাজনকও বটে। বন্ধু হয়ে হাত বাড়িয়ে এবার আমরা নাকি অনেক ঋণ পাব এবং একই সাথে ভিসা ও অনেক সহজ হবে। অর্থাৎ ঋণের টাকার দুর্নীতির অংশ দিয়ে যেকেউ যখন ইচ্ছা তখন ভারতের অপরুপ সৌন্দর্য দর্শন করতে কিংবা গুজারাটি শাড়ি, হায়দ্রাবাদী পাঞ্জাবি ক্রয় করতে পারবেন।
অতীব আনন্দের বিষয় আনন্দে আমার চোখে জল এসে যাচ্ছে কারন এখন আর কাটা তারে ঝুলানো ফেলানির লাশ দেখে অবৈধ পথে বন্ধুর দেশের সৌন্দর্য দর্শন বা ঐ দেশের কাপড় কিনা লাগবে না।
আপনারা বড় ব্যাক্তি আপনাদের বড় চাওয়া আমাদের মত ক্ষুদ্র আপামর জনগোষ্ঠী বন্ধু দেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট একটাই প্রতিশ্রুতি চাইব আর তা হল সীমান্তে রাবার বুলেট ব্যাবহার। বাংলাদেশ ভারত সীমান্ত যদি বাংলাদেশ পাকিস্তান সীমান্তের মত আচরন পায় তাহলে এত বন্ধুত্ব, প্রতিবেশী, সুহৃদ, ঋণ দাতা হয়ে আমাদের ১৫ কোটি (১ কোটি রাজনীতিবিদ এবং তাঁদের অন্ধ অনুসারী) মানুষের কোন লাভ নাই। আমার জানা মতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাহেব ও এক কালে এই আম জনতার কাতারেই ছিলেন তাই তাঁকেই আমাদের এই আমজনতার অনুরধ টুকুন রাখতে হবে।
এই কাজ টুকুন করতে পারলেই আপনার বাংলাদেশ সফর সবচেয়ে কার্যকর হবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
ফটো ক্রেডিটঃ প্রথমআলো


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



