তীব্র যানযটে যখন বসে থাকি,একটা সময় আর সহ্য করা যায় না।তখন আমি "হায়রে আমার মন মাতানো দেশ..হায়রে আমার সোনা ফলা মাটি" গানটি মনের অজান্তেই গাইতে শুরু করি।অতি সুখে যেমন মানুষ কাদে,তেমনি অতি ক্ষোভে আমি গান গাই।ব্যাপারটা এ ভাবে নিলে সহজ হবে।

কারন হিসেবে অনেক উধাহারনের মাঝে একটি সাম্প্রতিক ঘটনা বলা যেতে পারে। আমি মোহাম্মদপুরে থাকি, ছোট থেকে এখানেই বড় হয়েছি,কোন দিন এই এলাকার ভেতরে যানযট দেখিনি।প্রথম যানযটের সুত্রপাত হয় একটি বাস সার্ভিসের মেইন টিকেট কাউন্টার বসানোর মাধ্যমে।১০ মিনিট পর পর একটি বাস ছাড়া হয় এবং প্রতিটি বাস ফিরে এসে একই রাস্তার অপর ঘুরিয়ে নিয়ে আবার যাওয়ার জন্য তৈরী হয়।এ কারনে যানযটের প্রভাব রিং রোড পর্যন্ত পরে।যাইহোক সেটি এখন আর মুল বিষয় না।অতি সম্প্রতি শিয়া মসজিদ থেকে মোঃপুর পুরাতন থানা এবং বাস ষ্ট্যান্ড থেকে আসাদ গেট পর্যন্ত ডিভাইডার দেয়া হয়েছে,যার প্রধান কারন হল স্কুল ছুটির যানযট।কিন্তু আমার দেখা মতে তাজমহল রোডে কোন সময় জ্যাম হত না।সেখানেও দেয়া হিয়েছে ডিভাইডার।দুঃখজনক ব্যাপার হল ডিভাইডারের প্রস্থ এমন যে একটি রিকসা যেতে পারবে,রাস্থার মাঝখানে বেশ জায়গা নিয়ে এখন দারিয়ে আছে ডিভাইডার আর রাস্তার ওপর অবৈধ পার্কিং তো রয়েছেই। এখন প্রত্যহ সকালে তাজমহল রোড থেকে পুরান থানা পর্যন্ত একটানা জ্যাম নিত্যদিনের নতুন সঙ্গি।আরো অনেক টাকা হোক তার,যিনি মোঃপুর বাসীর জন্য এ কাজটি করে নিজের পকেটের যত্ন নিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১৭