somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

Shahadat Shuvo
আমি শুভ। ব্লগে আসার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে ভাল ভাল লেখা পড়া। আমি নিজে ভাল লেখক নই, তবে ভাল লিখা পড়তে ভালবাসি। তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে প্রবল আগ্রহ রয়েছে। আর আমি একজন খেলাখোর। "মাশরাফি বিন মর্তুজা" ভাইয়ার তুখোড় ভক্ত।

বাংলাদেশে প্রচলিত অন্ধ শিক্ষা ব্যবস্থা

১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আজব এক নিয়ম, তোমাকে হয় ডাক্তার হতে হবে না হয় ইঞ্জিনিয়ার কিংবা কম করে হলেও ব্যাংকার। ঠিক যেন "3Idiots" মুভির মত, জন্মের পর পরই আত্নীয়-স্বজনরাই লক্ষ্য ঠিক করে দেয় "ফারহান কোরেশি ইঞ্জিনিয়ার বোনেগা"।
কিন্তু সেই ফারহান কোরেশির কি হওয়ার ইচ্ছা তা কেউ কোন দিন জানার চেষ্টাও করে নি।
কিছুদিন আগে দেখলাম আমার ছোট বোন গরুর রচনা মুখস্ত করছে, কারণ বইয়ে যেরকম লিখা আছে হুবহু সেই ভাবে পরীক্ষায় না লিখতে পারলে বেশী নাম্বার পাওয়া যাবে না, যদিও সে গরু সম্পর্কে মুখস্ত করা ছাড়াই ভাল ধারনাই রাখে। আহা!!! এই গরুর রচনা মুখস্ত করে তার কি কাজে আসবে তা আমার জানা নেই, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তকরা জানতে পারে। বাংলাদেশের প্রায় সকল বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেই উচ্চ শিক্ষার জ্ঞান প্রচারের মাধ্যম হচ্ছে ইংরেজি । এই যদি হয় অবস্থা তাহলে ৫২ তে ভাষা আন্দোলনের দরকার ছিল বলে আমার মনে হয় না। অনেকেই হয়তো এখানে বলবেন চাকরি জীবনে ইংরেজির দরকার আছে তাই এখন থেকেই চর্চা করানো হচ্ছে। হ্যাঁ তা আমি মানি, কিন্তু তাহলে আমরা আগের ১২ বছর শিক্ষা জীবনে কী ইংরেজি শিখলাম। হ্যাঁ আমরা ১২ বছরেও ইংরেজি শিখতে পারি নি, কারণ আমাদের ইংরেজি ভাষার পরিবর্তে ঐ ১২ বছর ইংরেজি ব্যাকরন গেলানো হয়েছিল।
ছোট বেলায় আমাদের একটা বই ছিল "কম্পিউটার শিক্ষা" । আমাদের মুখস্ত করতে হত এরকম ভাবে, মাউস: মাউস দেখতে ইদুরের মত, এটা দিয়ে কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হয়। বা, কী-বোর্ড: কী-বোর্ড দিয়ে কম্পিউটারে ইনপুট দেওয়া হয়। আরে ভাই একদিন কম্পিউটার ল্যাবে নিয়ে গেলেই তো সব শেষ। কলেজে আমাদের প্রোগ্রামিং শিখানো হত। কতই না ভাল খবর, কিন্তু মজার ব্যাপার হল প্রোগ্রামিং শেখানোর মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হত খাতা-কলম কোনো কম্পিউটার নয়।
গত কিছু বছর ধরে বাংলাদেশে কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে যাদের কাজ হল A+ ব্যাবসা। শিক্ষক-ছাত্রদের উপর নির্ধারণ করে দেওয়া হয় এই আমার এত শতাংশ A+ চাই, তাহলে বোর্ডে আমার কলেজের স্থান এত তম হবে। ফলে পরের বছর স্টুডেন্ট বাড়বে আর ব্যাবসাও হবে রমরমা।
এই যদি হয় আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা তাহলে তো শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড না হয়ে বোঁঝা হয়ে যাবে। আশা করি একদিন বাংলাদেশে একটি সুস্থ শিক্ষা ব্যবস্থা দেখতে পাব।
©শাহাদাত শুভ।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ২:০০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

প্রাইভেট জব

লিখেছেন রোদ্র রশিদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৭:১০



গত পনেরো দিন ধরে নতুন ম্যাডাম ইংরেজি ক্লাস নিচ্ছেন। ট্রায়াল ক্লাস। ম্যাডামকে এখনো কলেজে পারমানেন্ট করা হয়নি। উনি খুব একটা খারাপ পড়ান না।

আজকের ক্লাস শেষে ম্যাডামের মন খুব খারাপ।
খুব... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের জন্য ৭-গ্রেডভিত্তিক ন্যায়সংগত সরকারি বেতন ও প্রশাসনিক সংস্কার একটি প্রস্তাবিত নীতিপত্র

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:২০


ন্যায়সংগত পারিশ্রমিক, বেতন বৈষম্য হ্রাস, মেধার মূল্যায়ন এবং দক্ষ রাষ্ট্রীয় প্রশাসন প্রতিষ্ঠার একটি সমন্বিত প্রস্তাব

বাংলাদেশের সরকারি বেতন কাঠামো দীর্ঘদিন ধরে ২০টি গ্রেডের ভিত্তিতে পরিচালিত হয়ে আসছে। ভেবেছিলাম দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুlie ২৪ আন্দোলন পরবর্তী বৈষম্যহীন বাংলায় (যেহেতু বঙ্গবন্ধুর বাংলায় বৈষম্যের ঠাঁই নাই), বেসরকারী ও সরকারী কর্মজীবীর জীবন...

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২১

/বাংলাদেশের মোট কর্মজীবীদের মধ্যে সরকারী আর বেসরকারী কত শতাংশ?

/গত ২ বছরে যত শিল্প কারখানা ও ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে এবং তাতে যত সংখ্যক বেসরকারী কর্মজীবী (কর্মকর্তা, কর্মচারী, শ্রমিক….) চাকরী... ...বাকিটুকু পড়ুন

গল্পঃ যখন মানুষটা চলে যায়

লিখেছেন সামিয়া, ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৩




স্ত্রী বাসা থেকে চলে যাওয়ার পর মানুষের মাথায় কী কী চিন্তা আসে আমি জানি না। কেউ হয়তো প্রথমে রাগ করে। কেউ ভেঙে পড়ে। কেউ সঙ্গে সঙ্গে আত্মীয়স্বজনকে ফোন করে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেতন বৃদ্ধি পাওয়ায় এত উত্তেজিত হওয়ার কিছু নেই ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:০২


নতুন পে স্কেল নিয়ে মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। বেতন কত বাড়বে এবং নতুন কাঠামো বাস্তবে কেমন হবে, এসব প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। নতুন বেতন কাঠামোয় ১ থেকে ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

×