আমার এক বন্ধু,একদম বোকা-সোকা একটা ছেলে। যে নাকি বর্তমানে সেনা কর্মকর্তা। আমার স্পষ্ট মনে আছে সেই সার্কাস দলের নাম ছিল দি নিউ সোনার বাংলা সার্কাস,যে সার্কাস দেখা নিয়ে আমার এই নগণ্য লেখা। আমরা স্কুলে থাকতেই কয়েক বন্ধু মিলে সিদ্ধান্ত নিলাম আজ সার্কাস দেখতে যাবো,সময় ঠিক করলাম সন্ধ্যা সাতটায়,কারণ রাত ১১-১২টার মধ্যে সার্কাস দেখে বাড়ি ফিরতে হবে,তাছাড়া বাবার গালমন্দ অবধারিত সবার কপালে। যাই হোক স্কুলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে রেডি হয়ে আমরা একখানে জমায়েত হলাম,কিন্তু একি সুজা এখনো আসেনি কেন? ওয়াহেদকে পাঠালাম সুজাকে ডেকে নিয়ে আসার জন্য। ও গিয়ে দেখতে পেল সুজা গরু উঠাইতেছে (সন্ধ্যাবেলা গরু গুলোকে বাহির বাড়ি থেকে গোয়ালঘরে উঠানো)। আমরা ওয়াহেদ কে পাঠিয়েছি দেখে সুজা তারাতারি করে গরু গুলিকে গোয়াল ঘরে উঠিয়ে বাছুর বাঁধার জন্য (বলে রাখা ভালো,বাছুর বেঁধে রাখার কারণ হলো সারারাত বাছুর দুধ থেতে পারবে না,যে জমানো দুধগুলো সকালে সংগ্রহ করা হবে) সন্ধ্যাবেলা গোয়াল ঘরটি হালকা অন্ধকার থাকার কারণে যে খুটির সাথে বাছুর বাঁধা হতো সেখানে গিয়ে সুজা দেখতে পেলো কাছেই বাছুরটা (সত্যি সত্যি সেটা যে বাছুর না সুজাদের পোষা কুকুরটা) শুয়ে আছে, সে যথারীতি বাছুর ভেবে কুকুরটির পায়ে রশি লাগিয়ে খুটির সাথে বেঁধে রেখে ওয়াহেদের সাথে চলে আসলো এবং আমরা সার্কাস দেখতে চলে গেলাম। আমরা খুব মজার সহিত সার্কাস দেখে বাড়ি ফিরলাম। পরদিন সকালবেলা সুজা আবার গরু বের (সকালবেলা গরু গুলোকে গোয়াল ঘর থেকে বাহিরে বের করা) করার জন্য গোয়াল ঘরের নিকট যেতেই শুনতে পেল কুকুরের ঘেউ ঘেউ শব্দ এবং গোয়াল ঘরের দরজা খোলার সাথে সাথেই নাকে এল অসম্ভব কঠিন দূর্গন্ধ। পাঠক,দূর্গন্ধের কারণটা নিশ্চই বুঝতে পারতেছেন। সুজা তারাতারি করে গোয়াল ঘরের দরজা খুলে দেখতে পেল সেই অনাকাঘ্খিত ঘটনা। গোয়াল ঘরের দরজা খোলামাত্রই সারারাত দুধ খেয়ে তরতাজা বাছুরটি যখন লাফিয়ে লাফিয়ে মনের আনন্দে গোয়াল ঘর থেকে বের হয়ে গেল। ততক্ষনে সুজা বুঝতে পারলো সার্কাস দেখার নেশায় সে গতকাল সন্ধ্যায় বাছুরের বদলে কুকুরের পায়ে রশি লাগিয়ে বেঁধে রেখেছিল। আর এটাই একটা গল্প হয়ে গেল পরবর্তী দিনে আমাদের স্কুলে সবার মুখে মুখে।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।