১. আমার কাছে সত্যই একটা ব্যাপার হাসির মনে হয় যখন শুনি মানুষ প্রশ্ন করে যে ভালবেসে বিয়ে করা ভাল নাকি পারিবারিক ভাবে বিয়ে করা ভাল। আমার কাছে মনে হয় একজন যেন অন্য একজনকে প্রশ্ন করছেঃ আত্ম হত্যা ভাল নাকি খুন হওয়া ভাল।
২. রোগীঃ ডাক্তার সাব! বেশীদিন বাচোনের কোন উপায় আছে কি?
ডাক্তারঃ যান বিয়া করেন গিয়া।
রোগীঃ ক্যান? বিয়া করলে কি বেশিদিন বাচন যায়?
ডাক্তারঃ তা কইবার পারুম না। তয় এতডা কইতে পারে যে আপনে বিয়ার পর আর বেশিদিন বাচনের চেষ্টা করবেন না|
৩. প্রশ্নঃ আইন কেন একজন পুরুষকে একাধিক বিয়ে করতে দিতে সম্মত হতে চায় না?
উত্তরঃ কারণ একজনকে একটি অপরাধের শাস্তি মাত্র একবারই দেওয়া যায়।
*রোগী: ডাক্তার, আমার না ভুলে যাওয়ার ব্যামোয় ধরেছে।
ডাক্তার: কবে থেকে এই রোগের শিকার হয়েছেন?
রোগী: অ্যাই ডাক্তার, কোন রোগের কথা বলছিস? আমি দিব্যি সুস্থ। খালি পয়সা বের করার ধান্দা, না।
*দুই বন্ধু গেছি পদ্মাপারের গ্রামের বাড়ি বেড়াতে। পূর্ণিমার রাত। দুজনে চলে গেলাম পদ্মাপাড়ে। পা ঝুলিয়ে বসলাম। বন্ধুর কাব্য রোগ আছে, সে আবেগে আপ্লুত হয়ে উঠল। না উঠেই বা উপায় কী? ওপরে ফিনিক ফোটা জ্যোত্স্না…, নিচে জলের কল্লোল… কবি বন্ধু বলে উঠল, ‘ইচ্ছে করে এই গহিন রহস্যময় প্রকৃতির মধ্যে হারিয়ে যাই…’ বলামাত্রই ‘ঝুপ’ করে একটা শব্দ! দেখি আমার পাশে কেউ নেই! নদীর পাড় ভেঙে সে আক্ষরিক অর্থেই নিচে হারিয়ে গেছে। পরে তাকে উদ্ধার করতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
*আমি বড়লোকের এক ত্যাঁদড় ছেলেকে পড়াই। মহা ফাজিল ছাত্র! একদিন তাকে ট্রান্সলেশন পড়াচ্ছি। সে উল্টো আমাকে ট্রান্সলেশন ধরে বসল, ‘স্যার, বলেন তো, আমি হই কিন্তু দুই, এর ইংরেজি কী হবে?’
: এটা আবার কী হলো?
: বলেন না, স্যার।
: আই অ্যাম বাট টু…
আমার ফাজিল ছাত্র দেখি হি হি হাসিতে ভেঙে পড়ছে। তখনই আমার খেয়াল হলো, আরে, সে তো আমাকে বোকা বানানোর জন্য কাজটা করেছে! বলাই বাহুল্য, আমি একটু খাটোই!
*এক বুড়ো গাছ থেকে পড়ে হাত ভেঙে ডাক্তারের কাছে গেলেন—
ডাক্তার: গাছ থেকে পড়লেন কীভাবে?
রোগী: তোরা কে আছিস, আমাকে ধরে গাছে তুলে দে। আমি স্যারকে বুঝিয়ে দিই কী করে পড়লাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


