আরে মূর্খুজ্জে মশাই যে,
কি খবর?
ভালো আছো নিশ্চয়ই;
দেয়াশলাই?আছে।
হু
তোমার আর করে খাওয়া হলোনা দেখছি...
বুঝলে মূর্খুজ্জে জীবনে কিছুই কিছু নয় যদি কৃতকার্য না হও।
তার চেয়ে এসো চেয়ারটা টেনে নিয়ে জানালায় পা তুলে বসি।
এক কাপ চায়ে আর কতটা সময়ইবা যাবে।
বুঝলে মূর্খুজ্জে আকাশে গুড় গুড় করছে মেঘ;
ঢালবেই,কিন্তু খুব ভয়ের কিছু নেই
যুদ্ধ না হওয়ারই দিকে।
আমাদের মুঠোয় আকাশ
চাঁদ হাতে এসে যাবে।
ধ্বংসের চেয়ে সৃষ্টির,
অন্ধকারের চেয়ে আলোর দিকটাই
ভারী হয়ে আছে।
কিন্তু কেন জানি আজকাল বড্ড ভয় হয়
আর ভয়টা যেন দিন দিন বেড়েই চলেছে।
৫২তে বলো আর ৭১এ
এতোটা ভয় তখনও লাগেনি,
যখন ঐ নরপিশাসগুলো
আমাদের মায়ের আঁচল কেড়ে নিতে চেয়েছিল।
চেয়েছিল আমাদেরকে মাতৃহারা করতে।
কেড়ে নিয়েছিল আমাদের অগণিত বাবা-ভাইয়ের প্রান;
ছিনিয়ে নিয়েছিল আমাদের মা-বোনের ইজ্জত।
তখন কিন্তু এতোটা ভয় লাগেনি জানো;
কারণ?
আরে মূর্খুজ্জে
তখন ভিনদেশ থেকে কিছু হারামীরা এসে
কেড়ে নিতে চেয়েছিল আমার মায়ের সার্বভৌমত্ব
আর আজ নিজের দেশে বসে কিছু হারামীরা কেড়ে নিতে চাচ্ছে
আমার মায়ের আঁচল।
আমার মাতৃভূমিতে বসে কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে আমার মায়ের বুক।
আজও আমার বাবা-ভাইয়ের রক্তে লাল হচ্ছে আমার মায়ের আঁচল।
কিন্তু ওরা যদি ৫২তে ৭১এ আমাদের দমিয়ে রাখতে পারেনি
তাহলে এরা কি বুঝেনা যে সেই দিন কি আর আছে?
এখন কি করে ওরা আমাদের দমিয়ে রাখবে?
আর কতজনের মুখ বন্ধ করবে,
আর কতজনের লাশ রাস্তায় ফেলে রাখবে,
কতজনকে গুম করবে?
আমরা কি করতে পারি?
আরে মূর্খুজ্জে
আমরা অনেক কিছুই করতে পারি;
তবে তা করতে হলে এভাবে জানালায়
পা তুলে চায়ের কাপে চুমুক দিয়ে বড় বড় কথা
বললে কি করে চলবে বলো।
বুঝলে মুর্খুজ্জে
আমাদের রাজপথে নামতে হবে,
নেমেই দেখোনা,
ভয় কিসের?
রক্ত তখনও দিয়েছি না হয় আজও দিব।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




