অাগামী মঙ্গলবার শিক্ষক সমিতি একযোগে সারা বাংলাদেশের
সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ণ-দিবস কর্মবিরতি পালন করবে।
এবং ঐ দিন বাংলাদেশের ৩৭ টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সব শিক্ষক
সব ধরণের ক্লাশ ও পরীক্ষা কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন।
শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মহোদয়রা তাদের দাবী আদায়ের লক্ষে দাবী পূরণ না
হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।
একটু ভেবে দেখুন তো, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে এমনিতেই বিভিন্ন সময়
বিভিন্ন কারণে শিক্ষার্থীরা সেশন জটের অতলে পরে সময়ের অনেক পিছনে
পড়ে থাকে। শিক্ষকরা তাদের নিজের ইচ্ছামত ক্লাশ নেন।
মাঝে মাঝে ইচ্ছা করেই ক্লাশ-পরীক্ষা নেন না।
কিছু বললে পরীক্ষায় ফেলসহ নানান ধরণের হুমকি দেন।
এমনিতে ক্লাশ পরীক্ষার এই অবস্থা,
তারপর আবার শিক্ষকদের আন্দোলন, ক্লাশ-বর্জন।
হচ্ছেনা নিয়মিত ক্লাশ-পরীক্ষা। ছাত্রত্ব হুমকির মুখে পড়ে।
কবে অনার্স শেষ হবে, নেই সঠিক উত্তর। বয়স পাড় হয়ে যাচ্ছে।
বিসিএস দেওয়ার মত বয়স থাকবে কিনা,
চাকরীর বয়স থাকবে কিনা এক ভিষণ দ্বন্দ্ব।
তারপর অাবার অনিয়মিত ক্লাশ-পরীক্ষা, যে ছাত্র শুধু সেই বুঝবে।
এদিকে সরকার ও তার মন্ত্রী-মহোদয়গণ ও তামাশা দেখছেন।
বসে ভাবছেন, দেখি শিক্ষকরা কতদূর যেতে পারেন।
আর তারা কতদিন আন্দোলন চালিয়ে যেতে পারেন।
তারা ভাবছেন, আমরাও আমাদের অবস্থান থেকে সড়ে দাড়াব না।
গতকাল শনিবার আবার শিক্ষক ফেডারেশন হুমকি দিয়েছেন যে,
তাদের দাবীসমূহ মেনে নেওয়া হলে আগামী ১লা অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্ট
কালের জন্য কর্মবিরতি পালন করবেন। শুধু তাই নয়, জেএসসি সহ সকল ভর্তি পরীক্ষা
কার্যক্রম থেকে বিরত থাকবেন
একবার ভাবুন এই শিক্ষার্থীদের কি দোষ, কেন তারা শুধুই এই শিক্ষক ও সরকারের দ্বন্দ্বের মধ্যে পড়ে
নিজের সুন্দর ভবিষ্যৎকে ধ্বংস করবে।
যখন বিভিন্ন সময়ে ছাত্ররা আন্দোলন করত তখন শিক্ষকরা ছাত্রদেরকে আন্দোলন প্রত্যাহার করতে বলত।
কিন্তু তারাইতাে এখন আন্দোলন করছে। তাদেরকে কি ছাত্ররা আন্দোলন করতে বারণ করবেন।
না ক্লাশ-পরীক্ষার নিয়মিতের দাবীতে তারাও আন্দোলনে নামবে..............
এ্ই যদি হয় লেখা পড়ার অবস্থা , তাহলে জাতি কোথায় পৌছাবে একটু ভাবুন......থাক আজ শুধু এটুকু বললাম.
(এটা শুধু আমার একান্ত মতামত, কারও সমালোচনা বা দোষারোপ করা নয়)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




