somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইউক্রেনঃ মাথাব্যথা তো শুরু হতে পারে

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুদ্ধ মনে হয় বেঁধেই যাচ্ছে, যেভাবে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট , রাশিয়াকে হুমকি ধামকি দিচ্ছে; তাতে মনে হয় এর সহজ কোন মীমাংসা হবে না! আমাদের গ্রাম্য একটা কথা আছে, পাটা-পুঁতায় ঝগড়া করে আর পেঁয়াজ মরিচের প্রাণ যায়! ইউক্রেনের হয়েছে সেই দশা। আমেরিকা, রাশিয়া তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি বাড়াতে যেয়ে আজ এই দেশটার অস্তিত্বই হুমকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। ক্রিমিয়া তো আগেই গেছে এখন মূল ভূখণ্ডও যায় যায় করছে।

রাশিয়া ইউক্রেনের রুশ ভাষী নাগরিকদের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়ে এবং পিছন থেকে বেনামে নিজ বাহিনী পাঠিয়ে এই ব্যাড গেমটা খেলছে। অবশ্য এই ব্যাড গেমটা তাকে খেলতে বাধ্য করেছে আমেরিকা ও তার ন্যাটো জোট। ইউরোপের বড় বড় দেশেগুলোরও এতে সায় ছিল। সাবেক সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলোতে ন্যাটোর সম্প্রসারণের দরকারটা কি ছিল? কি দরকার ছিল যেখানে ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র বসানোর? এতে রাশিয়া নিজ ঘরে নিজেকে বন্দি হয়ে যাওয়ার প্রমাদ গুনেছে। যেখানে ঘোষণা দিয়ে স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ঘোষণা করেছিল দুপক্ষ সেই ৯০ এর দশকে, বিলুপ্তি ঘটেছিল ন্যাটোর প্রতিযোগী ওয়ারশ জোটের। সেখানে শুধু শুধু চুলকিয়ে ঘা বানানোর দরকার কি ছিল?

আমেরিকার সহযোগী ইউরোপের দেশগুলো এই প্ল্যানকে আগ বাড়িয়ে সমর্থনও করেছিল তখন। জর্জিয়া যুদ্ধে রাশিয়ান আর্মির লেজেগোবরে অবস্থা দেখে তারা ভেবেছিল, রাশিয়ান আর্মির বড় ধরনের যুদ্ধে জড়ানোর সক্ষমতা আর নাই; তাই এই সুযোগে বড় ভাইয়ের সহযোগিতায় তাদের শতাব্দী প্রাচীন পরাজয়গুলোর প্রতিশোধ সহজেই নিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু ব্যাপারটা হয়েছে হিতে বিপরীত; পুতিন যে তার বাহিনীকে তলে তলে অনেক আপগ্রেড করেছে, এনেছে পরিবর্তন যুদ্ধাস্ত্রে; সেটা তারা ঠাহর করতে পারে নাই। যখন এটা বুঝলো তখন অনেক দেরী হয়ে গেছে; রাশিয়ান আর্মি এখন পুরাপুরি না হোক আংশিক বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত যা নেপোলিয়ন আর হিটলারের দেশকে তাদের পুড়নো দিনের কথা মনে পড়তে বাধ্য করছে; আর তাই তো জার্মানি আর ফ্রান্সের সরকার প্রধানরা সরাসরি মাঠে নেমেছে, যুদ্ধ থামাতে। কিন্তু তারা তা পারবে না কারণ তাদের ব্যবহার করে মিঃ প্রেসিডেন্ট খেলছে আর একটা ব্যাড গেম।

তাই আমাদের মত চুনোপুঁটিদের এতে সমস্যা না হোক, মাথাব্যথা শুরু তো হতে পারে!

১১/০২/২০১৫
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ বিকাল ৩:১১
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ইরানে হিজাব আন্দোলন এবং আমাদের হিজাবী সমাজ

লিখেছেন সোহানী, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ ভোর ৬:৫২




পুলিশী হেফাজতে মাহসা আমিনির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ইরানে চলছে হিজাব প্রটেস্ট, রাস্তায় নেমেছে হাজার হাজার নারী পুরুষ। জোর পূর্বক চাপিয়ে দেয়া হিজাব রাস্তায় রাস্তায় পুড়ছে নারীরা। ক'দিনের... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুঃসময় টিকটিকিও আমাকে ছাড় দিচ্ছেনা!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সকাল ১১:৩৫

আমাদের ঘরে বেশ কয়েকটা টিকটিকি এসেছে। লাইটের পিছনে লুকিয়ে থাকে। সুযোগ মতো বেরিয়ে শিকার ধরে খায়। ওদের থাকা খাওয়ায় আমার কোনো সমস্যা নাই। কিন্তু ইদানিং টিকটিকিও আমাকে ছাড় দিচ্ছেনা.......... ...বাকিটুকু পড়ুন

'নারী নেতৃত্ব হারাম' - হাদিসটির ভুল ব্যাখ্যা হচ্ছে কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ দুপুর ১:১২



আমার আজকের পোস্টের উদ্দেশ্য কারো জীবনী আলোচনা করা নয়। গুগল মামার কাছে জিজ্ঞাসা করলেই মুসলমানদের ভূমিতে মহান নারী ব্যক্তিত্বদের সম্পর্কে আরও ভালো ভাবে জানা যাবে। বরং, আমি জিজ্ঞাসা... ...বাকিটুকু পড়ুন

গত ৫২ বছর আমাদের শিক্ষার মান নীচের দিকে গেছে!

লিখেছেন সোনাগাজী, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:১৭



আমাদের প্রাইম মিনিষ্টার, শিক্ষামন্ত্রী কিংবা প্রেসিডেন্ট একবারও প্রশ্ন করেননি যে, আমাদের শিক্ষার এই অবস্হা কেন, কেন আমাদের পড়ালেখার সুনাম নেই? কেন ঢাকায় ভারতীয় ও অন্য বিদেশীরা এত... ...বাকিটুকু পড়ুন

এভাবে বেঁচে থাকার কোন মানে নেই

লিখেছেন জিএম হারুন -অর -রশিদ, ২৬ শে সেপ্টেম্বর, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:৪৬



ছেলেবেলা আমরা খুব গরিব ছিলাম বলা যাবেনা,
তবে তিনবেলা পেট ভরে সবাই খেতে পারতাম না,
রোজকার খাবারে সংসারের কারো পেটই ঠিকমতো ভরতো কিনা জানিনা।
আমার পেট ভরে খাওয়া হয়নি কখনোই ছেলেবেলায়।

জামা কাপড়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×