জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অনির্বাচিত ভিসিকে অপসারণ করে নির্বাচনের মাধ্যমে ভিসি নিয়োগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন শিক্ষকরা আর আন্দোলনরত শিক্ষকদের ঘায়েল করতে ভিসি প্রস্তুতি নিতে বললেন ভিসিলীগে ক্যাডারদের। গতকাল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৯২তম জন্মবার্ষিকীতে কেক কাটার পর সমাবেশ ভিসি বলেন,‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পরিবেশ ও উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করতে একটি অশুভ মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। এ সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে, ঠিকমত ক্লাসে হাজির হতে হবে। তোমরা ছাত্রদের যেভাবে শায়েস্তা করেছ এইবার এই শিক্ষকদের সেভাবই শায়েস্তা করবে। তিনি বলেন, আমি বাছাই করে ২ শত ক্যাডার শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছি। ছাত্রলীগ তাড়িয়ে ভিসিলীগ বানিয়েছি এখন আমার পদ রক্ষা করেত হবে। নির্বাচন না দিয়ে ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য ৩ বছরে মেধাকে অগ্রাহ্য করে ছাত্রলীগ, আওয়ামীলীগ, আত্মীয় ও গোপালগঞ্জ কোটায় রেকর্ড সংখ্যক ২ শতাধিক শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছেন বর্তমান ভিসি। আর ছাত্রলীগকে ক্যাম্পাস থেকে বিতাড়িত করে গোপালগঞ্জের অধিবাসী ছাত্রদের একত্রিত করে ছাত্রলীগের পরিচয় দিয়ে গঠন করেছেন ভিসিলীগ। এই ভিসিলীগের কর্মীদের হাতেই খুন হন ছাত্রলীগ কর্মী জুবায়ের। ৯ জানুয়ারি জুবায়ের খুনের দিনই খুনীদের বিচারের দাবিতে ভিসিকে অবরুদ্ধ করে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। কিন্তু সাধারণ শিক্ষার্থীদের দাবি উপেক্ষা করে এই ভিসিলীগ কর্মীদের দ্বারাই মুক্ত হন গডফাদার ভিসি। এরপর জুবায়ের হত্যার বিচারসহ কয়েক দফা দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে শিক্ষার্থীদের ভয় দেখাতে ভিসিলীগ দিয়ে পাল্টা আন্দোলন গড়ে তোলেন ভিসি। সমাবেশে পাল বাহিনির প্রধান অধ্যািপক পাল, পাউডার বাহিনির ইমন রহমান, রাম বাহিনি প্রক্টর, গোপালিয়ার শরীফসহ তেলবাজ গ্রুপের সকলেই উপস্থিত ছিলেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


