জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বদনামের শেষ নেই। সহকর্মী শিক্ষিকা, ছাত্রী যৌননিপীড়ন, ছাত্রলীগের মারামারিতে সরাসরি ইন্ধন, ক্যাম্পাসের গাছ কেটে নিজের বাসার আসবাবপত্র তৈরি আরো কত কিছু।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াটা একজনের ছাত্রের কাছে স্বপ্নের মতো। বড় একটা অর্জন হিসেবে সবাই এক বাক্যে স্বীকার করে। এখানকার শিক্ষক মানে সকলেই ধারণা করেন এদের সম্মান, আত্মমর্যাদা আকাশ সমান। অনেকেই আছে নিজের সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের পরিচয় আছে এইটুকু বলতেই গর্ববোধ করেন।
সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা নিজেরাই নিজেদের মান সম্মানকে বাজারের সস্তা সবজিতে পরিণত করেছে। রাজনৈতিক লবীতে চাকরীর পাওয়ার কারণে মর্যাদা বলতে তারা ক্ষমতাধরদের মুচকী হাসি প্রাপ্তিকেই বোঝে। তেলবাজী করার জন্য এক শিক্ষক আরেক শিক্ষকের কাছে চেয়ারে না বসে পায়ের কাছে কার্পেটের উপর বসে। সম্মান দেখানোর জন্য তারা এটা করেন নি। করেছেন নিজের আত্মমর্যাদা বিকিয়ে দলীয় ভোটার উপাধী পাওয়ার জন্য।
আজ সন্ধ্যায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্নালিজম বিভাগের একজন শিক্ষক আদনান তেলবাজি করতে গিয়ে নিজের পদমর্যাদার কথা ভুলে গিয়ে বিভিন্ন পত্রিকার অফিমে দৌড়াদৌড়ি করছেন। খবর নিয়ে জানাগেছে তিনিসহ ৩জন শিক্ষক এখন একটি মাইক্রোবাসে বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি অফিসে সংবাদ সম্মেলনের দাওয়াতপত্র দিয়ে বেড়াচ্ছেন। দাওয়াতপত্র বিলি করাতো একজন পিয়নের কাজ্। সবচেয়ে বড় কথা মিডিয়াতে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য জনসংযোগ অফিস রয়েছে। সেখানে রয়েছে ৪ জন অফিসারসহ বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। ওই কর্মকর্তাদের মান চাকরীবিধি অনুযায়ি একজনের শিক্ষকের চেয়ে ছোট। একজন শিক্ষক যখন তেলবাজির কারণে শিক্ষকতার সম্মান বিকিয়ে দিয়ে পিয়নের মত দাওয়াতপত্র বিলি করে বেড়ান তখন কোথায় থাকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকের মর্যাদা????

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


