অনেকে বিষদাঁতহীন সাপে কামড়ালেও আতস্কে ও মৃত্যুভয়ে অসংলগ্ন আচারন করে।
রোগীকে প্রয়োজনে ডায়াজিপাম বড়ি দেয়া যেতে পারে।
[২]*সাপ বিষাক্ত বলে ধারানা হলো সাপে কাটার সঙ্গে সঙ্গে পরিস্ককার কাপর
দিয়ে কেবল একটি গিঁট দিতে হবে।কাপর চওড়া হতে হবে।
[৩]*পায়ে কামড় দিলে উরূতে, হাতে দিলে কানুইয়ের ওপর এভাবে বাঁধতে হবে।
বাঁধন খুব আঁটসাঁট বা ঢিলে-কোটিই যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
গিঁট প্রতি আধঘন্টা পর পর আধ মিনিটের জন্য খুলে রেখে আবার বাঁধতে হবে।
[৪]*দংশিত স্থান ভেজা পরিস্কার কাপড় বা অ্যান্টেসেপেটিক দিয়ে মুছে দিতে হবে।
[৫]*হাত-পা নাড়াচারা করলে মাংসপেশী সংকোচনের ফলে দ্রুত বিষক্রিয়া ছড়িয়া পড়ে।
{ক্রপ ব্যান্ডজ থাকলে তা ব্যবহার করা করা যেতে পারে।}
[৬]*ব্যথার জন্য শূধূ প্যারাসিটামল জাতিয় ঔষুধ দেয়া যেতে পারে।
[৭]*রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।কোন মতেই রোগীকে
হাঁটানো যাবে না। কাঁধে, অথবা খাঁটিয়ার বা দোলনায় করে হাসপাতাল নিতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


