1. 'টুইন টাওয়ার ভেঙে পড়েছে বিমানের জ্বালানি থেকে ছড়িয়ে পড়া আগুনে', এই সরকারি ব্যাখ্যাটি সঠিক নয়। কেননা, যে উত্তাপে ইসঙ্াত গলে, টুইন টাওয়ারের আগুনের উত্তাপ তার থেকে অনেক কম ছিল। টুইন টাওয়ার ছাড়া আগুনের তাপে কোনো ইসঙ্াত নির্মিত ভবন ধসে যাওয়ার দ্বিতীয় কোনো উদাহরণ নেই।
2. দুটি বিমান ছিনতাই হলে সঙ্গে সঙ্গেই তা বোঝার মতো ব্যবস্ট্থা থাকলেও তাদের টুইন টাওয়ারে আঘাত করায় কোনো বাধা দেওয়া হয়নি। অন্যদিকে ছিনতাই হওয়ার পরে বিমান দুটি টুইন টাওয়ারে পৌঁছতে সময় লেগেছে প্রায় 40 মিনিট বা তারও বেশি। এত লল্ফ্বা সময় কেন একটি মার্কিন বিমানও বাধা দিতে উড়ল না? কেন পেন্টাগন কোনো তৎপরতা দেখাতে ব্যর্থ হলো!
3. কেন টুইন টাওয়ারের ধ্বংসস্টস্নহৃপ থেকে উদব্দার করা ইসঙ্াত তড়িঘড়ি করে লোহালক্কড় ডিলারদের কাছে বিত্রিক্রর মাধ্যমে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে? এ বিষয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের 25 ডিসেল্ফ্বর সংখ্যায় নমুনা ধ্বংসের অভিযোগ আনা হয়েছিল।
4. টুইন টাওয়ারের পাশে 7 নং ভবনটিতে বিমানের আঘাত বা আগুন না লাগলেও সেটি কি করে আপনাআপনি ধসে পড়ল! কীভাবেই-বা কমপক্ষে 25 জন দমকলকর্মী তার আগাম আভাস জানতে পেরেছিলেন (নিউইয়র্ক টাইমস, রাইট)।
5. টুইন টাওয়ার ধ্বংসের আগের দিন আমেরিকার এক নল্ফ্বর শত্রু ওসামা বিন লাদেন ভর্তি হয়েছিলেন পাকিস্টস্নানের রাওয়ালপিন্ডি সামরিক হাসপাতালে এবং বুশ প্রশাসনের তা জানা ছিল। পরদিন তাকে আটকের ব্যবস্ট্থা করলেই তো দুনিয়া অনেক রক্তপাত থেকে বেঁচে যেত।
6. মাইকেল মুর তার তথ্যচিত্র ফারেনহাইট 9/11-এ দেখিয়েছেন, টুইন টাওয়ার ধ্বংসের পর যখন আমেরিকার আকাশে সমস্টস্ন বিমান চলাচল বল্পব্দ ছিল, ঠিক তখন একটি রহস্যময় বিমান মধ্যপ্রাচ্যের দিকে উড়ে যায়। তাতে ছিল বিন লাদেনের পরিবারের লোকজন।
7. আমেরিকার আফগানিস্টস্নানে হামলার দু'দিন আগে আফগানিস্টস্নানের তালেবানবিরোধী শক্তিশালী উত্তরাঞ্চলীয় জোটের প্রধান আহমেদ শাহ মাসুদকে অজ্ঞাত আততায়ীরা হত্যা করে। তিনি ছিলেন মার্কিনবিরোধী জাতীয়তাবাদী।
সমস্টস্ন অভিযোগ বলছে, টুইন টাওয়ার ধ্বংস একটি পরিকল্কিপ্পত ঘটনা।
::KHALZI TIMES (DUBAI) 8/9/2006::
::সমকাল ::
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৬ সকাল ৭:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


