শনিবার ভোর পৌনে 6টা (বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে 9টা)। ইরাকে সুল্পিম্ন সমঙ্্রদায়ের ঈদুল আজহার দিনের শুরু। অথচ কিছুক্ষণের মধ্যেই ইরাকের একসময়ের লৌহমানব সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃতু্যদ- কার্যকর করার প্রস্ট্তুতি চলতে থাকে। বাগদাদের দক্ষিণে কাদিমিয়া শহরতলিতে মার্কিন সেনা ঘাঁটি ক্যামঙ্ জাসদ্বিসে জনাবিশেক ইরাকি কর্মকর্তা সেখানে অবস্ট্থান করছিলেন।
সাদ্দামের ফাঁসি কার্যকর করতে সেখানে উপস্টি্থত ইরাকের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষদ্বা মুওয়াফাক আল রুবাই, একজন বিচারক, বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা ও একজন ভিডিও চিত্রগ্রাহক।
ইরাকের প্রধানমন্পীর অফিসের সরকারি ভিডিও চিত্রগ্রাহক আলী আল মাসেদি মাত্র 3 ফুট দহৃরে দাঁড়িয়ে সাদ্দামের ফাঁসির দৃশ্য রেকর্ড করেন। পরে ইরাকি টেলিভিশনে তা প্রচারও করা হয়।
মাসেদি জানান, ফাঁসির আগে সাদ্দামকে ফাঁসির আদেশ পড়ে শোনান একজন বিচারক। সাদা শার্ট ও গাঢ় রঙের ওভারকোট পরিহিত সাদ্দামকে যখন ফাঁসির মঞ্চে তোলা হলো, তখন তার হাতে ছিল পবিত্র কোরআন শরিফ। সাদ্দাম কোরআনের কপিটি তার এক বল্পব্দুকে দেওয়ার কথা বললেন। (তবে সেই বল্পব্দুটি কে, তা নিশ্চিত করতে পারেননি ইরাকি কর্মকর্তারা।) সাদ্দামকে এ সময় দারুণ শানস্ন, অবিচল আর স্ট্বাভাবিক দেখাচ্ছিল। ফাঁসির দড়ি পরানোর আগে মুখোশ পরা জল্ক্নাদ কালো কাপড়ে তার মুখ ঢেকে দিতে চাইলে সাদ্দাম মুখ ঢাকতে অস্ট্বীকার করেন। তিনি বলেন, 'ভয় পেয়ো না, আমি এভাবেই মরতে চাই।'
আল রুবাই জানান, ফাঁসির পুরো প্রত্রিক্রয়ায় কোনো প্রকার বাধা দেননি সাদ্দাম। ফাঁসির মঞ্চে ওঠার সময় ইরান, পশ্চিমা বিশ্বসহ শত্রুদের বিরুদব্দে স্ট্নোগান দিচ্ছিলেন তিনি। জিহাদিদের প্রশংসা করছিলেন। আর বলছিলেন, এটা অন্যায়, আমার প্রতি অন্যায় করা হচ্ছে। 6টা বাজার কয়েক মিনিট আগে জল্ক্নাদ ফাঁসির দড়িতে টান দেয়। পুরো প্রত্রিক্রয়া শেষ হতে সময় লাগে 15 মিনিট। দ্রুত, খুব দ্রুত মৃতু্য হয় তার। বিবিসি, এনবিসি অনলাইন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



