মা
১১ ই মে, ২০১৪ বিকাল ৫:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
এস এস সি পরীক্ষার মাত্র ১৫/১৬ দিন বাকী আছে। হটাত্ মাইগ্রেনের সমস্যাটা প্রকট আকার ধারণ করলো। অবস্থা এমন দাঁড়ালো যে নিচের দিকে তাকিয়ে পড়তেই পারিনা। তাছাড়া যা পড়েছি সবই ভুলে যেন গেছি। যাই পড়ি নতুন মনে হয়। অবশেষে পরীক্ষার দুই কি তিনদিন আগে ব্যাথা কিছুটা কমলো। পড়া শুরু করলাম পুরো দমে। অবাক করার বিষয় হলো আমি প্রায় রাত ৩-৪ টা পর্যন্ত পড়তাম আর আমারা মা আমার পড়ার টেবিলের পাশেই খাটে শুয়ে থাকতেন। যতক্ষণ না আমার পড়া শেষ হতো ঘুমোতেন না। পড়া শেষ হলে মশারী টাঙিয়ে বিছানা ঠিকঠাক করে দিয়ে তার পর শুতে যেতেন। আবার ফজরের সময় মাথায় আলতো করে হাত দিয়ে জাগিয়ে দিতেন। কারণ হুট করে ঘুম ভাঙলে মাথা ব্যাথা বেড়ে যেতো। যাই হোক এভাবে পুরো পরীক্ষা শেষ হওয়া পর্যন্ত মা আমার জন্য জেগে ছিলেন। অতপর যেদিন রেজাল্ট দেবে মায়ের সে কি উত্কন্ঠা! সারা জিন শুধু একটু পরপরই ফোন দিচ্ছিলেন। অবশেষে রেজাল্ট নিয়ে মায়ের কাছে যাওয়ার পর সেকি কান্না মায়ের । তবে সেটা ছিলো আনন্দের কান্না। সেদিন কিছুটা বুঝেছিলাম আসলে মায়ের ভালোবাসার কোন তুলনা হয় না।
কোন দিবস বিশেষ নয় মাকে বছরের ৩৬৫ দিনই সমানভাবে ভালোবাসি।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
রবিন.হুড, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

চাপালিশ, চামল, চাম্বল, চাম্বুল, টোপোনি (মগ), বলস্রাম (গারো), কাঁঠালি চাম বা চাম কাঁঠাল (বৈজ্ঞানিক নাম: Artocarpus chama; আর্টোকার্পাস চামা) হচ্ছে মোরাসি পরিবারের কাঁঠাল-জাতীয় একটি বন্য প্রজাতির ফল। বিপন্ন এই বৃক্ষটি...
...বাকিটুকু পড়ুন
গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন