ব্লগের মাধ্যেমেই পারসোনার ব্যাপারটা নজরে আসে। পরে এই ব্লগের মাধ্যমেই জানলাম যে বিষয়টার আপাতঃ মীমাংসা হয়েছে এবং ভিকটিমের চিকিৎসক স্বামী ভদ্রলোক মামলা বা থানা পুলিশ করতে চাননা। তার সামনেই নাকি ভিডিওটা কম্পিউটার থেকে মুছে ফেলা হয়েছে।
তিনি মামলা করতে চাইছেন না বা ঝামেলা বাড়াতে চাইছেন না- এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। কিন্তু আমার প্রশ্ন বা সন্দেহ অন্য জায়গাতে। বিশেষ করে কানিজ আলমাস একজন মহিলা হয়েও এই কীর্তি করাতে।
আজকাল কম্পিউটার নিয়ে একটু ভালভাবে নাড়াচাড়া করে এইরকম একটা মোটামুটি বয়সী ছেলেও পারবে যে কোন অবস্থায় ডিলিট করা ফাইল আবার ফেরত আনতে। এই কানিজ আলমাস যে এই কাজটা করবে না- তার গ্যারান্টি কে দেবে? সবচাইতে ভাল হতো যদি ভদ্রলোক হার্ড ডিস্কটাই নিয়ে আসতেন। দুইদিন পরে যে এটা বিভিন্ন ভাবে পাওয়া যাবে না- এটা কে বলতে পারে?
সবচাইতে ভাল হয় এই সমস্ত নামী ব্র্যান্ডের পার্লারের দিকে না গিয়ে একটু কম নামী বা মহল্লার বিশ্বস্ত পার্লার দিয়ে কাজ করানো।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


