somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিলেতের একুশ

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গ্রীনিচ মান মন্দিরে বারোটা বাজতে এখনও আট ঘন্টা বাকী, তবুও অপেক্ষা। প্রতিদিনই ঐঘড়িতে বারোটা বাজে, কিন্তু আজকের অপেক্ষা 21 ফেবুয়ারী জন্য ।অসংখ্য মানুষ ফুলেল শুভেচ্ছার ডালি নিয়ে দাড়িয়ে আছে আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনারে। ফুলে ফুলে ভরে উঠবে শহীদ মিনারের বেদী মূল। বৃটেনের বিভিন্ন শহর হতে মানুষ ছুটে আসবে ফুল নিয়ে । এখানে সালাম ,বরকত রফিক জব্বারেরা ঘুমিয়ে নেই . তবুও তাদের শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের এই অপেক্ষা। প্রবাসে বসে আর কি করতে পারতো এই দেশ প্রেমিক মানুষগুলো? 1999 সনে আলতাব আলী পার্কে এই শহীদ মিনার তৈরী হয়। এখনও কোন নাম ফলক লাগানো হয়নি , লেখা নেই ইতিহাস, যাদিয়ে নতুন প্রজন্ম তাদের বীর শহীদদের কথা। গতকাল টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের প্রেস কনফারেন্সে এই দুস্থ সাংবাদিকের প্রস্তাব ছিলো দয়া করে একখানা নাম ফলক লাগান , আমরা দেখলেই বুঝি এটি শহীদ মিনার , ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এই প্রতিকৃতি ।কিন্তু বিলেতে বড় হওয়া নতুন প্রজন্ম, কিংবা ভিন্ন দেশের ভিন্ন সংস্কৃতির নাগরিক যারা এই পার্কে বেড়াতে আসেন তাদের অনেকেই জানেন না এই স্মৃতি স্তম্ভটি কেন বানানো হয়েছে। কাউন্সিল লিডার ডেনিস জোন্স আমার প্রস্তাবে সায় দিয়েছেন। খুব শীঘ্রই নাম ফলক হবে শহীদ মিনারের। এই সুখে গত রাতে ঘুম হয়নি। আজ যাবো ফুল দিতে । বন্ধু কামরুলের কাছ থেকে একটা ফতুয়া ধার করেছি ওইখানে বাংলা লিখা আছে। আমাদের চ্যানেল এসের সহকর্মীরা মিলে বড় একটা ফুলের স্তবক বানাচ্ছি। মোটামুটি একটা উৎসব ভাব বিরাজ করছে আমাদের মাঝে। শুধু আলতাব আলী পার্কেই নয়। বৃটেনের ওল্ড হাম, ম্যানচেষ্টার ও লুটনে শহরেও এধরনের শহীদ মিনার তৈরী করেছে প্রবাসী বাংলাদেশীরা। সবাই সেখানেও ফুলে ফুলে ভরে দেবে আজ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:২১
১৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জল-জলন্ত

লিখেছেন রাজীব নুর, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ বিকাল ৫:৫৪



সময় তখন ১৯৫০ সাল।
অলকা থাকে আমেরিকার ফারগো নামক শহরে। খুবই ছোট শহর। শহরটি ছবির মতন সুন্দর। শীতের সময় প্রচণ্ড শীত পড়ে। এলিন নামের এক বৃদ্ধার কাছ থেকে অলকা দুই রুমের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৫

হারানো আকাশে আমার ক্যানভাসে
.........................................................................



সেই জগতে আমার ছিলো আঁকিবুকি চকখড়িতে,
মন ভেসে যেত মেঘের ভেলায় সোনালী সেই দিনগুলিতে।
একটা সকাল, একটা বিকেল গোল্লাছুটের ধুলোবালি,
চিবুড়ি আর লুকোচুরি খেলা, স্মৃতির পাতা নয়কো খালি।

সুনীল... ...বাকিটুকু পড়ুন

৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনে কোটি কোটি মানুষকে টাকা দেওয়া হয়েছিলো?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩

গানঃ হাল্লাজের কাপড়
গানের লিংকঃ https://on.soundcloud.com/Vctd83PVm40VJ64T16



১) ৩৬ জুলাইয়ের আন্দোলনকে অনেকে আম্রেকিয়া আর শিবিরের প্ররোচনায় হয়েছে বলে প্রচার করেন। আমার প্রশ্ন, আম্রিক্যা ও শিবির কাউকে কাউকে হয়তো 'ভাড়া' করে থাকতে পারে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×