পাবলিক পরীক্ষা নিয়ে এমন ভয়াবহ ছেলে-খেলা বাংলাদেশের ইতিহাসে আর একবার হয়েছিলো বলে শোনা যায়- সেটা একাত্তর- বাহাত্তুর সালে।
সকল পরীক্ষার প্রশ্ন - নো ম্যাটার সেটা পঞ্চম শ্রেণী না কি ডিগ্রী পরীক্ষা- সকল পরীক্ষার প্রশ্ন এখন আউট হচ্ছে। এমন ভয়াবহ রোমহর্ষক ঘটনা মন্ত্রী মহোদয় গুজব বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন।
বাংলাদেশের সম্প্রতি রোগ হচ্ছে অপরাধ করে তা অস্বীকার করা। চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেও সেটাকে বেমালুম অস্বীকার করা হচ্ছে । প্রশ্ন পাওয়া যাচ্ছে ফেসবুকে, ফাটোকপির দোকানে, কোচিং সেন্টারে- হয়তো পাড়ার ওষুধের দোকানে।
পৃথিবীর অন্য যেকোন এদেশে এমন হলে মন্ত্রী নিজেই নিজের দুগালে চটির আঘাত করে পদত্যাগ করতো- আমাদের এখানে কারোরই গায়ে লাগছে না।
আমরা যে প্রজন্ম পেতে যাচ্ছি সামনে তাদের কে শিশুকাল থেকে শিশুরাজনীতি শেখানো হচ্ছে, শিশুকাল তেকে জ্ঞান চুরি করার বিদ্যায় পারদর্শী করা হচ্ছে।
আর আমাদের কর্তাব্যাক্তিরা সব কিছুকে গুজব বলে উড়িয়ে দিয়ে হাসিমুখে গাড়িতে করে ঘুরে বেড়ান।
সত্যিই বুঝে আসছে না কাদের বিরুদ্ধে আমাদের রুখে দাড়াতে হবে। জাতির পায়ে কুড়াল মারা এইসব রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে নাকি আমাদের অনৈতিক মনোভাবের বিরুদ্ধে।
তবে সব কিছুর আগে একট বিষয় করাই উচিত- আমাদের ছোট উঠতি এই তরুণ শিক্ষার্থীরা আমাদেরই কারো ভাই বোন, ছেলে মেয়ে। যেভাবে আপত্তিকর ইন্টারনেট কনটেন্ট থেকে এদেরকে দূরে রাখার চেষ্টা করি আমরা, তেমনই সতর্কতা নিয়ে এই ভয়াবহ আউট হওয়া প্রশ্ন থেকে দূরে রাখতে হবে। আর যারা এসব কাজের সাথে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে সামজিক রাজনৈতিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার।
আমাদের ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠনগুলো কী শামিল হবে এই চেষ্টায়? হবে না জানি।
অন্তত এই লেখাটি শেয়ার করে নিজেদের ভয়েসটা যেন আমরা জানান নেই। আমরা যেন জানাই এই সব নষ্টদের দলে আমরা নই। জানাই যেন। সেটাই হবে বাংলাদেশের জন্য একটু হলেও আমাদের কোন অবদান।
-ইউএমবি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




