যে-মানুষের নিজের কোনও সংজ্ঞার্থ নেই, তার রচিত সাহিত্যেরও কোনও স্পষ্ট চেহারা থাকে না। কিন্ত্ত যে-মুহূর্তে জনগণ কোনও এক অবিচ্ছিন্নতার বোধে সংহত হতে থাকে, তাদের সাহিত্যিক উপাদানগুলোও অগ্রসর হয় একীভূত হয়, এক মহান ভবিষ্যতের কল্পনায় প্রত্যাশায় পরস্পর সংলগ্ন হয়। এই মহান রচনা আমাদের নেই, কিন্ত্ত আসুন আমরা একযোগে সবাই এই হতাশাকে ধিক্কৃত করি ___ শুধু যে তার অভাব আছে, নিছক সেই কারণেই নয়, কেননা এটা তো এই সত্যেরই প্রতীক হয়ে ওঠে যে, আমাদের মধ্যে কোনও মহান দেশের ধারণাই নেই। তা প্রতিফলিত করে সেই বোধকেই যে, আমরা এখনও কোনও মহান স্বাধীন দেশের কথা ভাবতে পারছি না। ... ভাষা কাকে ফোটায়, কাকে অভিব্যক্ত করে ? যতক্ষণ না-থাকে কোনও অন্তঃসার যা অভিব্যক্ত হতে চায়, ততক্ষণ সব কথাই পড়ে থাকে মৃত, স্ত্তপের মত। কোনও এস্পানিওল আমেরিকা যদি না-ই থাকে, তবে কোনও এস্পানিওল-আমেরিকী সাহিত্যও থাকতে পারে না।
১৮৮১-তেই হোসে মার্তি যে এস্পানিওল-আমেরিকী সাহিত্যের কথা ভেবেছিলেন, এখন তা আর কোনও স্বপ্নদ্রষ্টার নিছক আশাবাদ নয়, বাস্তব সত্য। নিজে ক্যারিবিয়ানের এক ছোট্ট দ্বীপ থেকে এসেছিলেন হোসে মার্তি, কিন্ত্ত রচনা করে দিয়েছিলেন আমেরিকী মহাদেশের সংজ্ঞার্থ।
কিউবার (কুবা) অধিবাসী হোসে মার্তির জীবৎকাল : ১৮৫৩-১৮৯৫ ।
তাকে লাতিন আমেরিকার জাতীয়তাবাদের উদ্গাতা হিসেবে মান্য করা হয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


