somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিক্ষার্থীর আত্বহত্যা নাকি অভিবাবকদের ব্যার্থতা?

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার একটি বাসা থেকে গতকাল শুক্রবার রাতে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। দুই শিক্ষার্থী হলেন হৃদয় ও নীরা। বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার ডি ব্লকের ৬ নম্বর সড়কের ২০৪ নম্বর বাসার দোতলা থেকে তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়।ওই বাসার ১বি নম্বর ফ্ল্যাটে হৃদয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী ভাড়া থাকতেন। সন্ধ্যায় হৃদয়ের সঙ্গে দেখা করতে ওই বাসায় আসেন নীরা। নীরা হৃদয়ের কক্ষে ঢোকার পর দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকে। এরপর কোনো সাড়াশব্দ না পেলে বাসার দারোয়ান কাশেমকে খবর দেন অন্য শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টার দিকে কক্ষের দরজা ভেঙে সিলিংয়ের সঙ্গে ওড়না দিয়ে প্যাঁচানো দুজনের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে ভাটারা থানা-পুলিশ।

এখানে প্রশ্ন অনেক গুলা।
আত্বহত্যা কেউ সাধে করে না। আর এখানে জোড়া আত্বহত্যা। খুব সহজেই অনুমান করা যায় এখানে প্রেমঘটিত কোন ব্যাপার থাকলেও থাকতে পারে।
এবার আসি বিশ্লেষণে! ছেলেটির নাম হৃদয়। নর্থ সাউথের ৪র্থ সেমিস্টারের বিবিএ ডিপার্টমেন্টের ছাত্র। আমরা সাথে হালকা পরিচয় ছিল। জানতাম নর্থসাউথের এক মেয়ের সাথে কঠিন প্রেম আছে!
কিন্তু সেই প্রেমের মাঝে যে এত কস্ট লুকিয়ে ছিল সেটা জানতাম না, আরো জানতাম না সে প্রেমের জন্যই তাকে জীবনটা দিতে হবে!
বন্ধু-বান্ধব সুত্রে জানা গেছে নীরার সাথে প্রেমের সম্পর্ক নাকি তাদের উভয়ের পরিবার থেকে চরম ভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। শুধু তাই না, তাদেরকে একরকম বাধ্য করা হয়েছে আলাদা হতে। কিন্তু সত্যিকারের প্রেম কি আলাদা করা যায়? ফলাফল হিসেবে তারা এই জীবনে এক সাথে থাকতে না পারার বেদনা, একসাথে মরার মাধ্যমে পোষাতে চেয়েছে!
আপনি দায় কাদের দিবেন? আমার মতে এই মৃত্যুর জন্য দায়ী ওদের ফ্যামিলি। কি ক্ষতি হত ওদের ভালবাসা মেনে নিলে?
আমি জানি আত্বহত্যা করা মহাপাপ। শুধু বোকারাই আত্বহত্যা করে। আবার কেউ সামনে-পিছে কোন পথা খুজে না পেলেও আত্বহত্যা করার কথা মাথায় আনে ! ওরাই ভাল জানে ওরা কতটা কস্ট নিয়ে গলায় ফাস নিয়েছে !
অনুরোধ একটাই, এইরকম বোকামী আর কেউ করিস না! সত্যি কস্ট লাগে!
ভালো থাকিস, হৃদয়! ভাল থেকো, নীরা!
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১১:২৭
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

৭১-এ মুক্তিবাহিনীর হাতে নিহত পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বা রাজাকার হত্যার বিচার করতে হবে! :(

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৮

চতুর্দিকে রক্ষীবাহিনী তথা ফজলু কমান্ডারদের দুর্দান্ত প্রতাপ। ভয়ংকর সত্যটি হলো—যিনি ১০০ মাইল দূর থেকে পাকিস্তানি মিলিটারির আওয়াজ শুনতেন—সেই তিনি লুইচ্যা হামিদের সংগে কুলিয়ে উঠতে না পেরে ভোল পাল্টিয়ে বিএনপিতে যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

নতুন ই-পাসপোর্ট নিয়ে কিছু কথা

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

আমার সর্বশেষ পাসপোর্টটি করেছিলাম ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে। ততদিনে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট ইস্যু করা শুরু হয়ে গিয়েছিল। ই-পাসপোর্টের অন্যতম একটি বাড়তি সুবিধে ছিল এই যে চাইলে সেটা একসাথে দশ বছরের জন্য ইস্যু... ...বাকিটুকু পড়ুন

"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"-.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ২:৪০




"বন্যরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে"- বাংলা সাহিত্যের এই বহুল পরিচিত পঙ্‌ক্তির মর্মার্থ আমরা সবাই জানি। তবে মানুষের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা, বিশেষ করে শিশুদের প্রতি স্বতঃস্ফূর্ত স্নেহ ও আন্তরিকতারও... ...বাকিটুকু পড়ুন

মিথ্যে বলতে পারি না

লিখেছেন স্প্যানকড, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


ছবি নেট


মিথ্যে বলতে পারি না,
আজও আমি স্পষ্ট দেখি
ঘরের মেঝেতে এক টুকরো রোদ
জানি না কী করে যেতে হয় ভুলে
পুরনো সব রোগ
সেই ভালো হতো যদি মিশে যেতাম স্রোতে।

মিথ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন নিজে নিজে এআই দিয়ে, নেট ঘেটে ডাঃ জাহাঙ্গীর কবির স্যারের সব সত্যতা পাচ্ছে...!

লিখেছেন লিংকন বাবু০০৭, ২৮ শে জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬

বারডেম সহ সকল ডাক্তারদের উচিত নন কমিউনিকেবল ডিজিজ গুলো বেশি বেশি ঔষধ দিয়ে, ছয় বেলার জায়গায় দরকার হলে আরো কয়য়েক বেলা মুড়ি, বিস্কুট, খই এর সাথে আরো কিছু যোগ করে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×