somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

একটা স্বর্নালী স্মৃতির বর্ণালী স্বাক্ষর...

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[মজা করেই এটি লিখা হয়েছে। আমার ভার্সিটি ফ্রেন্ডদের উদ্দেশ্যে। আমাদের ভেতরের বন্ধুত্বটা আরও গাঁড় হউক। সেই আশাবাদ নিয়েই লিখেছি। অনেকেই হয়তো এর মর্ম বুঝবেন না। অনেকের কাছে হয়তো এর দাম নেই। কিন্তু আমার বন্ধুদের কাছে এর দাম অনেক। আমার কাছে তো অবশ্যই।]

কি আছে রে তোর মাঝে?
তুই এত সরল কেন?
আল্লাহ্‌ সর্বদা তোকে এমনই রাখেন যেন। (১৬৫)
_____________________________
দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ স্বার্থপর বোধহয় তুই।
লাভের ভাগেই তোকে দেখি,
ক্ষতির ভাগে নাই। (১৬৬)
_____________________________
ভার্সিটিতে তোর আসা হয় কম।
ব্যাটিং করিস ওপেনিংয়ে,
আণ্ডা মারাই কাম। (১৬৭)
_____________________________
প্রথম দিকে তুইও ছিলি বাবু শীলের মতো।
ছেঁকা খাওয়ার পর থেকেই একদম শান্তশিষ্ট।
এসব হয়রে দোস্ত,
এসব নিয়ে আর ভাবিস না। (১৬৮)
_____________________________
আরে হতাশা!!!
তুই ছাড়া যে জমবেনা,
রুমমেট বলেও ডাকা হবেনা।
সারাদিনই তো মাতিয়ে রাখিস আমাদের আড্ডা।
ফিফা ১২ খেলতে হলে চলে আসিস।
পুরা ম্যাচই খেলতে দিবো,
ভাগাভাগি করবোনা।
দেখিস আবার,
আমাদের ভুলে যাস না। (১৬৯)
_____________________________
মুজিব, কি করিস?
নিশ্চয়ই পড়িস?
পড়া ছাড়া তো আর কিছুই চিনিস না,
তাই তোকে আর জ্বালালাম না। (১৭১)
_____________________________
বোলিং, ফিল্ডিং আর পড়াশোনা,
ব্যাটিংয়ে তোকে মানায় না।
মুখে তোর থাকে হাসি,
বোধহয় কার্টুন দেখিস বেশি বেশি। (১৭২)
_____________________________
এইতো, এর নামই সুপারগ্লু।
ষ্টেশনের অভাব নাই তার,
হাটতে গেলেই দিন হবে পার।
তবুও সে যাবে না।
আছে শুধু মানুষের জিনিস নিয়ে টানাটানিতে।
বলে দিলাম, আমাকে কিন্তু আর ক্ষেপাইস না। (১৭৫)
______________________________
এইটা হইল নিরব ট্যালেন্ট।
বাংলা, ইংলিশ দুই আইডিতেই হইতে চায় ফ্রেন্ড। [এটি একটি বিশেষ লাইন। এর অর্থ শুধু সে-ই (১৭৮) জানে।]
পরিক্ষার আগে দুইদিন পড়া হবে শুধু।
মুখের ভাষাগুলা যেন বনের খাঁটি মধু। (১৭৮)
______________________________
সফটওয়্যার নাম হইলেও এইটা আসলে হার্ড,
গলায় ঝুলায় হেডফোন আর পড়ে টিশার্ট।
প্রশ্নের কোন শেষ নাই তার মনে,
কোনদিনও শেষ হবে কি না তা আল্লাহ্‌ই জানে। (১৭৯)
______________________________
দোস্ত তুই অনেক ভালো।
এইটা কি আর বলা লাগে?
এত ভালো কেমনে হয়!!!
সত্যি, অবাক লাগে। (১৮০)
______________________________
তুই আমার ভালো বন্ধু।
এটাই বলবো শুধু।
দুষ্টের একশেষ হইলেও,
যেন একদম সাধু।
[হা হা হা হা। মারিস না কইলাম কিন্তু।] (১৮১)
______________________________
আরেক বদের হাড্ডি,
নাম তার আদি।
এত কথা ক্যামনে বলে পোলাটায়,
মাঝে মাঝে আমার মাথা ঘুরায়।
তবে তোর ক্যারেক্টার অনেক ভালো।
মাতিয়ে রাখে সারাক্ষন,
ছড়ায় হাসির আলো। (১৮২)
______________________________
CR সাহেবের এপ্লিকেশনে নাম আসে নটি,
তোর সাথে মিলে যায় দোস্ত,
একদম ফাটাফাটি। (১৮৪)
______________________________
আইনস্টাইন,
কি বলি তোরে নিয়া?
সবাইরে জিনিয়াসের উদাহরন দেই
তোর নাম কইয়া। (১৮৫)
______________________________
আর কত মারবি ভার্সিটির ভাত?
এত ফার্স্ট হইতে কি বিরক্ত লাগে না?
অন্য কাওকে চান্স দেয়ার ইচ্ছাও জাগে না? (১৮৬)
______________________________
আমার কথা কি আর কবো,
আকাইম্মা একখান মাল।
কথায় কথায় রেগে যাই,
সব কথায় দেই ফাল। (১৮৭)
______________________________
ডাউনলোড,
আজকে হবে কত জিবি?
আর কত ডাউনলোড দিবি? (১৮৮)
______________________________
আমাবস্যার চাঁদ আর তুই একই কথা।
ভার্সিটিতে দেখি কম,
এটা নিয়া নাই মাথাব্যাথা। (১৮৯)
______________________________
চিন্তা ছিল তোর জন্য একখানা হারানো বিজ্ঞপ্তি দেব,
এতে যদি তোরে খুজে পাওয়া যায়!
তোকে কি আর ভার্সিটিতে দেখতে পাবো? (১৯৪)
______________________________
তোর মনে আছে দোস্ত,
আমরা ৪র্থ সেমিস্টারে একসাথে ছিলাম!
অনেক মজা হত, তাই না?
একই সাথে পড়তাম আবার একসাথেই ঘুরতাম। (১৯৬)
______________________________
স্ক্যানার,
কি খবর?
ফ্রেন্ডলিস্টে এত মেয়ে কেন?
এত স্ক্যান করা ভালো না,
মনে থাকে যেন। (২০১)
______________________________
দোস্ত, তোর বাসায় আরেকটা পার্টি দে না,
ওইদিনের মতো?
খুব মজা হয়েছিল ওইদিন।
খেয়েছিলাম ইচ্ছামতো। (২০২)
______________________________
নিউটন সাহেব?
এলসিডিতে হ্যালো লেখা আসছে?
সত্যি তুই অনেক ভালো,
তুই-ই যেন ৭ম ব্যাচের আলো। (২০৪)
______________________________
কি আর কইতাম তোরে?
তুই ছাড়া BTB অচল।
তবুও মাঝে মাঝে
তোরে মারতে ইচ্ছা করে।
আমার মাথা গরম করার সহজ ওষুধ তুই।
তোর কথা না শুইনবারলাই
কানে দিলাম রুই। (২০৮)
______________________________
কিছু লাগলেই দোস্ত ডাকিস,
এমনে কোন খবর নাই।
কষ্টগুলান আমাগো ঘাড়ে,
লাভের ভাগটা কিন্তু চাই-ই চাই। (২১০)
______________________________
শ্রেষ্ঠ চিটিং বাটপার তুমি,
তোমার হয় না তুলনা।
এত বাটপার ক্যামনে হইলা?
মোদেরও একটু শিখাও না? (২১১)
______________________________
মাঝে একখান কথা কইয়া
হাসায়া দাও সবাইরে,
মাইয়া মাইয়া একখানা ভাব
আছে তোমার ভিতরে। (২১২)
______________________________
কি খবর?
কেমন আছ?
ভালো থাইকো নোয়াখালী। (২১৩)
______________________________
মেজারম্যান্ট বলে না সে,
বলে মিজারমিন্ট।
মাঝপথে আইসাও সে
দেখাইলো নিজের ট্যালেন্ট। (৫১২)
______________________________
কিরে জোড়া,
এখনো কি আগের মতো করিস ঝগড়া?
আসলে জীবনটা দুই দিনের।
এছাড়াও, মন ভাঙ্গা সহজ।
কিন্তু রক্ষা করা অনেক মেধার ব্যাপার। (১৭০+১৭৬)
______________________________
তুই তো ভাই মহা মেধাবী,
দুই দিনেই করবি পাশ
Answer করিস সবই।
ক্লাসে তোরে যায় না দেখা,
আরমান তাই বড় একা।
প্রোজেক্ট নিয়া কথা বলিস
আরমানের সাথে,
হারিয়ে না যাস যেন আবার
ভার্সিটি আসার পথে। (০৯২)
______________________________
কি আর বলব বড় ভাইরা,
সম্মানিত জন।
এত আদর আর মোহাব্বত করেন
যেন অনেক আপন।
তানভির, সুমন, পার্থ, জুয়েল ভাইরা
থাকেন সদা-ই পাশে,
হাল হকিকত জেনে নেন তারা
একটুখানি হেঁসে।
পৃথ্বী ভাইয়ের DLSR,
ক্লাসে আনলেই ছবি তুলি।
নাইম, রুবেল, মেহদি আর সাইমন ভাই?
দুষ্টামি বা ভুলগুলো সব সহজেই যান ভুলি।
সাজিদ, ভাই আর ইমরান ভাইকে
তো ভোলাই যায় না।
ভুলি ক্যামনে?
তারা ছাড়া যে আর আড্ডা জমে না?
যা কিছুই করি না কেন,
দিবেন ক্ষমা করে।
শুধু দোয়া করবেন আমার জন্য
মন প্রান ভরে।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×