ব্লগে ছাগীয় প্রবণতা সীমা বহু আগেই ছাড়িয়েছে এবার শুরু হয়েছে ঘরে ঘরে গিয়ে লাদি ছড়ানো। ফতোয়াবাজী এখনো আইনসিদ্ধ না হলেও দেখা যাচ্ছে নিজেই নিজেকে মুফতি সার্টিফিকেট দিয়ে ফতোয়া দিয়ে বেড়াচ্ছেন ছামু আর রামু। দৃষ্টি আকর্ষণের কায়দা হিসেবে ভালো হলেও প্রবণতা হিসেবে যে উপাদান ধারণ করছে সেটা মারাত্মক। উপাদানটি মূল ঘাতকের না বলির পাঠার, যে গায়ে বোমা বেঁধে বেহেশতে যাবার স্বপ্ন দেখে অর্থাৎ বুদ্ধিখাসীকৃত ঠোসা। সমস্যা হচ্ছে এদের সুতায় যাদের হাত তারা অতিশয় ধূর্ত। তাদের গায়ে টোকাও লাগবে না। এই খাসীগুলো নেকী হাসিল করতে গিয়ে অপূরনীয় ক্ষতি করে বসে মানুষের। কুফরিকে নিশ্চিহ্ন করতে গিয়ে মোনাফেকের সুবিধামত নরহত্যা করে। সেখানেই সমস্যা। সমস্যা হচ্ছে প্রোগ্রামার অতি দক্ষতায় তাঁর কর্তব্য সম্পাদন করেছেন। যতই সামলোচনা হোক, বিশ্লেষণ হোক এরা আত্মঘাতি প্রবণতাকে আঁকড়ে ধরছেন আরো প্রবলভাবে। এর সমাধান আমার জানা নেই আপাতত। তবে টোটকা চিকিৎসা হিসেবে বলতে পারি গায়ে বোমা ফুটলে বেহেশতে যাইবা কিনা সেইটা অপ্রমাণিত হইলেও কিছু নির্দোষ মানুষের ক্ষতি হইবো আর তুমি ওয়েস্টেজ অফ দ্য হিস্ট্রি হিসাবে চিহ্নিত হইবা। তাতে তুমি আইজকা যাগো আপন ভাবো বা শত্রু ভাবো তাগো যৌনকেশের খুসকিও লড়বো না।
হে কাঠাল বনের কানাইসকল!
স্বীয় লাদিতে ডুবিয়া মরিবার পূর্বে শেষবারের মতো হইলেও গ্রেম্যাটার সক্রিয় কর!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


