ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার ১৯৬৭- ১৯৭৭
০২ রা জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো ১৯৫৫ সালে প্রতিস্ঠিত একটি সতন্ত্র অলাভজনক প্রতিস্ঠান। এই প্রতিস্ঠানটি বিশ্বের সবচে বড় এবং সবচে সম্মানজনক
প্রেস ফটোগ্রাফি কনটেস্ট আয়োজন করে। ১৯৫৫ সাল থেকেই এই কনটেস্ট আয়োজিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর একটি ছবিকে
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার হিসেবে পুরষ্কৃত করা হয়। পুরষ্কৃত ছবিগুলো গত অর্ধ শতাব্দী ধরে বিশ্বের সব গুরুত্বপূর্ন ঘটনার সাক্ষী হয়ে আছে। আমাদের দেশে দৃক বিভিন্ন সময়ে ওয়ারল্ড প্রেস ফটোর ছবি একজিবিট করেছে। ওয়ারল্ড প্রেস ফটো সম্পর্কে জানতে যেতে পারেন এই লিংকে
World Press Photo
আজ দিচ্ছি ১৯৬৭ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার উপাধী প্রাপ্ত ছবিগুলো।
১৯৬৭
১৯৬৮
১৯৬৯
১৯৭১
১৯৭২
১৯৭৩
১৯৭৪
১৯৭৫
১৯৭৬
১৯৭৭
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার ১৯৫৫- ১৯৬৬
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার ১৯৭৭- ১৯৮৬
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার ১৯৮৭- ১৯৯৬
ওয়ারল্ড প্রেস ফটো অফ দি ইয়ার১৯৯৭- ২০০৮
বিঃদ্রঃ ১৯৫৯, ১৯৬১ ও ১৯৭০ -এ ওয়ারল্ডপ্রেস ফটোগ্রাফি কনটেস্ট অনুষ্টিত হয়নি।
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
ইসিয়াক, ১৮ ই জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৪

চন্দ্রা পশ্চিমের বারান্দায় উদাস হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।আকাশে ছড়ানো ছেটানো মেঘ, সেই মেঘের মতই তার মনটা আজ বিক্ষিপ্ত ।
ইদানীং মা কি সব সন্দেহ করে তাকে।অকারণই মনে হয় তার কাছে। তারই...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৩
যুদ্ধে কে জয়ী হয়েছে?
আমার উত্তর খুব সহজ- কেউ না।
যুদ্ধের প্রকৃত বিজয়ী বলে কেউ থাকে না। যুদ্ধ যখন শুরু হয়, তখন শুধু সৈনিক নয়; মায়ের বুক খালি হয়, শিশুর ভবিষ্যৎ ভেঙে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অবাক হয়েই চেয়ে দেখি
কখন এমন হলো?
এইতো আমার ব্লগবাড়ীটার
বয়স হল ষোল।
দুরুদুরু বুকে তখন
খুলেছিলাম ‘নিক’।
ফেলতে পলক, পেরিয়ে গেল
ষোল বছর ঠিক।
ফেসবুক আর ইউটিউবের
আছড়ে পরে ঢেউ।
সামুপাড়ায় এখন কি আর
উঁকি মারে...
...বাকিটুকু পড়ুন
বাল্য বন্ধু শফির ফোন পাইলেই টেনশনে থাকি। কোন একটা দুঃসংবাদ নিশ্চিত। আর সেটা যদি হয় সকাল বেলা তবে তো কথাই নেই। যদিও আমাদের মধ্যে আন্তরিকতার ঘাটতি নেই মোটেও তবুও...
...বাকিটুকু পড়ুন
(শালবন ভ্রমণ)২০১২ সাল। সদ্য পাশ করে বের হয়েছি। কঠিন সময় পার করছিলাম। এদিক-সেদিক স্টেজ শো করে যে পেমেন্ট পেতাম, বাড়িতে ফিরতে ফিরতেই প্রায় শেষ হয়ে যেত। সকালে মায়ের হাতে...
...বাকিটুকু পড়ুন