দেশের প্রধানতম ভার্সিটি-ঢাকা ইউনিভার্সিটি। ২০০৩-০৪ সালের ছাত্র। এল এল এম পরীক্ষার রেজাল্ট হয়েছে। গেলাম সার্টেফিকেট ওঠানোর জন্য। প্রথমে যেতে হলো রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের ৩০৯ নম্বর রুমে। সার্টেফিকেট ওঠানোর ফর্ম কিনলাম ১৫ টাকা দিয়ে (খেয়াল রাখবেন ১৫ টাকা যেন আপনার সাথে থাকে)। পূরণ করে এরপর গেলাম হলে ( স্যার এফ রহমান হল)। ওখান থেকে ১০০ টাকা সোনালী ব্যাংকে (রেজিস্টার বিল্ডিং, ঢাবি) জমা দিয়ে আবার আবার রেজিস্টার বিল্ডিংয়ের ৩২৪ নাম্বার রুমে যাবার নির্দেশ দেওয়া হলো-পাওনাদি পরিশোধ লিখে আনার জন্য। জিজ্ঞেস করলাম কি জন্য ১০০ টাকা- বলা হলো হলের কল্যান ফান্ড(আল্লাহই জানে কোন অকল্যান বয়ে আনে)এরপর আবার হলে-প্রভোস্টের সিগনেচারের জন্য ১ দিন রাখতে হলো। পরের দিন স্বাক্ষরকৃত ফর্ম নিয়ে আবার রেজিস্ট্রার বিল্ডিংয়ের ৩ তলায় সার্টেফিকেট শাখায় গিয়ে লিখে নিতে হল সার্টেফিকেট বাবদ ২০০ টাকা এবং তা জমা দিতে আবার যেতে হলো টি এস সির জনতা ব্যাংকে। জমা দেওয়ার রশিদ ও সার্টেফিকেট ফর্ম নিয়ে আবার যেতে হলো তিন তলায়। তৃতীয় দিন, মোট সময় ১৮ ঘন্টা( যাতায়াত সহ) মোট ব্যায় ৫০০ টাকা(সার্টেফিকেট ফি ছাড়া ৩০০)। আবার দিন শুরু জমা দেওয়া থেকে -২২ সেপ্টেম্বর। ৩ দিন হয়ে গেল আরো ৩ দিন।
সবাই দোয়া করবেন আমি যেন এ সপ্তাহের মধ্যে সার্টেফিকেটটা পাই । প্রিয় পাঠক বন্ধুরা এখানে বলে রাখা ভালো যে, এটা কিন্তু সাময়িক সনদ- এরপর না জানি কবে সমবর্তন হবে-আর কবেই বা অরিজিনাল তুলতে পারবো। উল্লেখ্য অনার্স ফাইনালের সার্টেফিকেটও অনুরূপভাবে তুলতে হয়।
ডিজিটাল বাংলাদেশে শীর্ষ বিশ্ববিদ্যালয় আর কতদিন এভাবে দেশের ভবিষ্যতদের ভোগাবে। তাদের হেদায়েত হোক!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


