somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাস্তিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন - এই পাখিটির সৃষ্টির পেছনে কি কোন শিল্পী কাজ করেছে ?

১৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ৮:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নাস্তিক ভাইদের কাছে প্রশ্ন - এই পাখিটির সৃষ্টির পেছনে কি কোন শিল্পী কাজ করেছে ? যদি করে থাকে তার ব্যাপারে ব্যাখ্যা চাচ্ছি। নাকি পাখিটি নিজেই নিজেকে সৃষ্টি করেছে ?


সৃষ্টি কর্তা ও স্রষ্টা সম্পর্কিত আমার নিজের ব্যাখ্যাটি এরকম – “আবাটার” মুভিতে আমরা
মানব চালিত রোবট দেখেছি যেখানে রোবটির স্বতন্ত্র সত্তা ছাড়াও তার সৃষ্টি কর্তা চালিত
উন্নত সত্তা দ্বারাও সে চালিত হয় অর্থাৎ মানুষটি রোবটির ভেতরে ককপিঠে বসে হাত নাড়ালে
রোবটটীও তার ইস্পাতের হাত নাড়ায় , তাই রোবটটি হচ্ছে মানব সত্তাটিরিই বর্ধিত রূপ মাত্র।
একটি “সামগ্রিক সত্তা” ও তার বর্ধিত “ক্ষুদ্র সত্তা” যুগতপত ভাবে “এই পাখি” অস্তিত্বটির
জন্যে দায়ী , তবে মূল ভূমিকা পালনকারী বা শিল্পী কিন্তু ঐ “সামগ্রিক সত্তা”টিই, কারন
ক্ষুদ্র সত্তাটির পক্ষে এত উন্নত মানের শৈল্পিক ও বিজ্ঞান সম্মত ভূমিকা পালন সম্ভব
নয় , সে শুধু মাত্র তার জড় কাঠামো ধারক ও সীমাবদ্ধ জ্ঞানের অধিকারী ।
Khairuzzaman Zaman ভাই এর মন্তব্যে বিষয়টি আরো পরিষ্কার হচ্ছে- //" আচ্ছা ! আমি এই জন্যই এগনস্টিক বা অজ্ঞেয়বাদী বলেছি। তো ভাই, সেই পরিপূরক স্বত্তা কিম্বা সেই শিল্পী তো একই হিসেবে চমৎকার একটি শিল্পকর্ম, আমি যদি এই চমৎকার শিল্পকর্মের শিল্পী কে তা জিজ্ঞেস করি, তবে কি সামনা সামনি রাখা দুটি আয়নায় দেখা প্রতিবিম্বের মত আবর্তিত হব না?"
কে বললো ঈশ্বর চেতনা অনুভব করা যায় না ? নিজের অখন্ড অবিচ্ছিন্ন অস্তিত্ব জ্ঞানে অসহায় মানুষকে সেবা করলে যে বিশালতার উপল্বধি হয় , নিজের প্রতি সম্মান জাগে , এটাই তো ঈশ্বর উপল্বধি ।
পরম স্বত্তা ব্যক্তির ভেতরেই বাস করছে । ব্যাক্তিটিও পরম সত্তা । শুধু তাই নয় বাহিরের যে সমগ্র জগত টা দেখছি সেটিও একটি একক রূপ যেটি আমরা ভাগা ভাগি করে চলছি , যেমন সমুদ্র যদি স্রষ্টা হয় , তাহলে এর ঢেউ রা কিন্তু আসলে সৃষ্টি নয় , এগুলো মিলেই তো এক সমুদ্র । আসলে আমি যেটি বলতে চাচ্ছি সবই আসলে এক অখন্ড অস্তিত্ব , যদিও বিভিন্ন খন্ড সত্তার সম্মিলনেই এই একত্বতা আসছে । আমার আপনার শরীর আসলে এক অখন্ড শরীরের সামান্য অংশ মাত্র , আমরা আসলে একটা বৃহত শরীরের ক্ষুদ্রাংশ অবিছিন্ন অস্তিত্ব। সেই বৃহৎ শরীরটা কোন Individual স্বত্তা নয় , এক সমুদ্র তার সব ঢেঊ এ একাকার , সব ঢেউ এক সমুদ্রে একাকার এবং সেই বৃহত সত্তাটা স্বয়ং আপনি ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:১০
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×