বাংলাদেশের ক্রিকেট ও ক্রিকোরদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের
কারণে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে তুলোধুনো করা হচ্ছে পাকিস্তানের অনিয়মিত’ ওপেনার নাসির
জামশেদকে। গতকাল বাংলাদেশ দলের বিজয়ের পরই একটি টুইট
বার্তা নিয়ে বাংলাদেশের সামাজিক মাধ্যমে ওঠে নিন্দার ঝড়। শুধু
নাসির জামশেদ কেন, এ ধরনের মন্তব্য
যেই করুক তা অবশ্যই শিষ্টাচার বিবর্জিত
ও নিন্দনীয়। কিন্তু
কাউকে নিন্দা জানানোর আগেই
তিনি এ ধরণের কোন মন্তব্য করেছেন
কি-না তা অবশ্যই জেনে নেয়া উচিত
নয় কি? অন্যথায় একজন ব্যক্তিকে কোন
কারণ ছাড়াই তুলোধুনো করা কি অপরাধ
নয়? আর এসব কারণেই কি মানুষ আমাদের
হুজুগে বাঙালী বলে না?আসল খবর হলো : - যে টুইটার
অ্যাকাউন্টে বাংলাদেশ এবং রুবেল
হোসেনকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য
করা হয়েছে ওই অ্যাকাউন্টটি তার নয়
বলে মনে করছেন অনলাইন বিশেষজ্ঞরা।
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর এক উচ্চপদস্থ
কর্মকর্তার বরাত দিয়ে ‘সাইবার-৭১’
তাদের ওয়ালে একটি ম্যাসেজ
দিয়েছে। এতে জানানো হয়েছে,
নাসির জামশেদের
নামে যে অ্যাকাউন্টটি রয়েছে তা সম্পূর্ণ
ফেইক এবং এটা তার অফিশিয়াল
অ্যাকাউন্ট না।
কিছু উগ্রপন্থি নাগরিকদের
দ্বারা এটি পরিচালনা হচ্ছে বলেও
সেনাবাহিনীর ওই কর্মকর্তা তাদের
কাছে নিশ্চিত করেছেন। এ
অ্যাকাউন্টটি থেকে এর আগেও
বাংলাদেশ, ভারতসহ পাকিস্তানের
ক্রিকেটারদের ও ব্যাঙ্গাত্মক টুইট
দেওয়া হয়েছিলো।
পাকিস্তানি অধিনায়ক মিসবাহুল
হককে নিয়ে সম্প্রতি করা আরেক
টুইটে ব্যাঙ্গ করা হয় যার
কোনো ভিত্তিই নেই। বিশেষ
ভাবে তিনি জানায়, ভারতের
কয়েকজন শিল্পীকে অবমাননা করার
পরেই নাসির জামশেদ
টিভি সাক্ষাৎকারে জানিয়ে দিয়েছিলো এটা তার
একাউন্ট না।
আইসিসির নিয়মানুসারে চুক্তিবদ্ধ
কোনো ক্রিকেটার অন্য
দলকে নিয়ে অবমাননা করার সুযোগ
নেই।একটা আনন্দের সময়ে আনন্দটা উপভোগ
করাই জরুরী। কে কি মন্তব্য করল
তা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে আনন্দটা মাটি করার
কোন মানে হয় না। সূত্র: Click This Link

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




