সিলেটের শিক্ষার্থীদের চরম ভাবে অপমানিত করে,কোন প্রকার বিচার বিবেচনা না করে,ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের মতামত না নিয়ে;সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত হীন স্বার্থের উদ্দশ্যে কয়েকটি রাজনৈতিক দলের সৃষ্ট সংগঠন তথা কথিত ''সচেতন সিলেটবাসী"।যা সর্বদলীয় ভুঁইফোঁড় সংগঠন নামে এখন বেশ পরিচিত।তাঁদের হীন উদ্দেশ্য সাধারণ সিলেটবাসীর সমর্থন করা তো দূরের কথা;যাদের জন্য এই আয়োজন অর্থাৎ খোদ ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরাও(কয়েকটা ছাগু বাদে ) তা সমর্থন করেনি।অবশ্য করার কথাও না!কারণ সাধারণ সিলেটবাসী কিংবা ভর্তি ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা কেউই নির্বোধ কিংবা মূর্খ না যে তাঁদের জন্য পঞ্চাশ শতাংশ কোটা বরাদ্দ রাখতে হবে।অতচ কোটার দাবি তুলে 'সচেতন সিলেটবাসী' নামক সর্বদলীয় ভুঁইফোঁড় সংগঠন সিলেটের শিক্ষার্থীদের সহ সাধারণ আমজনতা কে চরমভাবে অপমানিত করেছে।আসেন আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই সেই তথা কথিত 'সচেতন সিলেটবাসী' নামক সর্বদলীয় ভুঁইফোঁড় সংগঠনের নেতাদের সাথে।প্রথম থেকে সিসিসি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী,সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমেদ কামরান,আশফাক আহমেদ (সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান),বিগ্রেডিয়ার জেনারেল অবঃ যুবায়ের সিদ্দিকী (প্রিন্সিপাল স্কলার্স হোম),জালালাবাদ ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লেঃ কর্ণেল (অবঃ) সৈয়দ আলী আহমদ,মদন মোহন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ লেঃ কর্ণেল (অবঃ) এম আতাউর রহমান পীর,সিসিসি'র প্যানেল মেয়র ও কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী,সিসিসি কাউন্সিলর মখলিছুর রহমান কামরান,সিসিসি কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান ইলিয়াস,‘সচেতন সিলেটবাসী’র সদস্য সচিব এডভোকেট আব্দুল মুকিত অপি,শাবি স্বতন্ত্র পরীক্ষা বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক জাহেদ আহমদ তালুকদার,সদস্য সচিব আফছর খান,সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান,সচেতন সিলেটবাসী’র সদস্য ওমর মাহবুব,সম্মিলিত শিক্ষার্থী জোটের সভাপতি মাহবুব উর রউফ নয়ন,সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সাবেক সভাপতি আ.ন.ম শফিকুল হক,জেলা জাসদের সাধারণ সম্পাদক লোকমান আহমদ,জেলা ন্যাপ সভাপতি সৈয়দ আব্দুল হান্নান,গণতন্ত্রী পার্টির জেলা সভাপতি ব্যারিস্টার আরশ আলী,জেলা বারের সাবেক সভাপতি এমাদ উল্লাহ শহীদুল ইসলাম শাহীন এডভোকেট,সাম্যবাদী দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক কমরেড ধীরেন সিংহ,সুজন কেন্দ্রীয় সদস্য ফারুক মাহমুদ চৌধুরী,বাসদ নেতা উজ্জল রায়,ওয়াকার্স পার্টির শফিক আহমদ,আবু জাফর, এডভোকেট সমর বিজয় সী শেখর,সিরাজ আহমদ,ওয়ার্কাস পার্টির কেন্দ্রীয় সদস্য কমরেড সিকান্দর আলী সৈয়দ হাসান আহমদ।
স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন যারা:
সাবেক সিটি মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান
জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি এডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য
জেলা জাসদ সভাপতি আলহাজ্ব কলন্দর আলী
মইনুদ্দীন জালাল এডভোকেট
সিলেট প্রেসক্লাব সভাপতি আহমেদ নূর
সাংবাদিক সংগ্রাম সিংহ
সাংবাদিক চয়ন চৌধুরী
জুবায়ের আহমদ চৌধুরী সুমন
পরিবেশ আন্দোলন নেতা আব্দুল করিম কিম।
সূত্রঃ প্রিয়ডটকম
যাই হোক,আপনারা নিশ্চয় অবগত আছেন যে,এই ভুঁইফোঁড় সংগঠন সিলেটের জনগণ মনোনীত কোন সংগঠন না।এটি তৈরি হয়েছে সম্পূর্ণ স্বপ্রণোদিত হয়ে।সুতরাং এই সংগঠনের দায়ভার কোন ভাবে সাধারণ সিলেটবাসীকে দেয়া যাবে না।যারা দিবেন তারা নিরেট নির্বোধ,বোধবুদ্ধিহিণ এবং মূর্খ ছাড়া কিছু না!আশা করি ব্যাপারটা আপনাদের কাছে ক্লিয়ার হয়েছ
(ব্লগে এটি আমার প্রথম লেখা।ভুল হলে ক্ষমা করবেন।)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

