somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমার দেখা রাজপথে পিকেটিং !

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ রাত ৯:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি কোন দিন একাত্তরের হায়না পাকিস্তানি মিলিটারি দের বাস্তবে দেখিনি।দেখার কথাও না!কারণ আমার জন্ম হয়েছে ৯০ দশকে। ৯০ দশকের মানুষ ৭০ দশকের জিনিস দেখেনা।এটা স্বাভাবিক ব্যাপার।তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভিত্তিক বই পড়ে তাদের সম্পর্কে সু-স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি ।যাই হোক কথা সেটা না।আসল কথায় আসি।

ঘটনা টা ঘটেছিলো দুদিন আগে।বুঝতেই পারছেন তখন অবরোধ ছিল।এদিকে আমার একটা জরুরী কাজের জন্য যেতে হবে মফস্বল শহর বিয়ানীবাজারে।না গেলে কাজটা হবেনা আবার বিশাল দৌড়ের উপর পড়ে যেতে হবে ।তাই কোন ভাবেই রিক্সটা নিতে চাই নি।সেজন্য অনেক টা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঠলাম সিএনজি তে।উদ্দেশ্য বিয়ানীবাজার যাবো।এদিকে সিএনজিতে যাত্রী বলতে শুধু আমি।পাঁচ জন পূর্ণ হতে চার জন বাকী।পাঁচ জন যাত্রী পূর্ণ না হলে সাধারণতো সিএনজি'র পাইলটরা সিএনজি ড্রাইবিং সিটে বসেন না।পাঁচ জন পূর্ণ হলে তবেই বসেন।এটা তাদের অলিখিত নিয়ম।অবশ্য ড্রাইবারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এই নিয়ম বানচাল করা যায়।সেজন্য শর্ত হিসেবে আপনাকে খালি সিট গুলার টাকা দিতে হবে।তো সে যাই হোক,সিএনজি তে একা একা বসে কানে স্বভাব বিরুদ্ধ হেড ফোন গুঁজে ফেইসবু...কিং করছি আর অনাগত যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছি।ঠিক সেই সময় কানে এলো একটা শব্দ।"মিলিটারি আসছে"এই টাইপের কিছু একটা (এখন বুঝতে পারছি কানে হেড ফোন থাকার কারণে তখন "পিকেটার"শব্দ টা বিবর্তন হয়ে আমার কানে আসছে"মিলিটার কিংবা মিলিটারি" হয়ে )।তো শব্দটা শুনে সাথে সাথে সিএনজি থেকে নেমে যাই।এবং কিছু বুঝে উঠার আগেই দেখি;আমজনতার এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি,পুলিশের গাড়ির হুইসেল, বুলেটের শব্দ...মানুষ জন দোকান পাট বন্ধ করছে,সিএনজি ওয়ালারা তাদের সিএনজি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে,আবার দেখলাম;আমার বয়েসি কয়েকটা ছেলে পুলিশ কে লক্ষ করে ইট এবং ককটেল ছুঁড়ছে । অবশ্য পুলিশও বসে নেই!তারা তাদের সাধ্য মতো পাল্টা আক্রমণ করছে।বলা যায় সব মিলিয়ে মুহূর্তটা তখন ছিল পুরো বিভীষিকাময়! আমি কল্পনা করিনাই জীবনে এই রকম একটা বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতিতে পড়বো!


যাই হোক,এখন উপর ওয়ালাই জানেন সামনে এই টাইপের পরিস্থিতি আর কতোটা দেখতে হবে !!!!!!আমি কোন দিন একাত্তরের হায়না পাকিস্তানি মিলিটারি দের বাস্তবে দেখিনি।দেখার কথাও না!কারণ আমার জন্ম হয়েছে ৯০ দশকে। ৯০ দশকের মানুষ ৭০ দশকের জিনিস দেখেনা।এটা স্বাভাবিক ব্যাপার।তবে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ভিত্তিক বই পড়ে তাদের সম্পর্কে সু-স্পষ্ট ধারণা পেয়েছি ।যাই হোক কথা সেটা না।আসল কথায় আসি।

ঘটনা টা ঘটেছিলো দুদিন আগে।বুঝতেই পারছেন তখন অবরোধ ছিল।এদিকে আমার একটা জরুরী কাজের জন্য যেতে হবে মফস্বল শহর বিয়ানীবাজারে।না গেলে কাজটা হবেনা আবার বিশাল দৌড়ের উপর পড়ে যেতে হবে ।তাই কোন ভাবেই রিক্সটা নিতে চাই নি।সেজন্য অনেক টা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উঠলাম সিএনজি তে।উদ্দেশ্য বিয়ানীবাজার যাবো।এদিকে সিএনজিতে যাত্রী বলতে শুধু আমি।পাঁচ জন পূর্ণ হতে চার জন বাকী।পাঁচ জন যাত্রী পূর্ণ না হলে সাধারণতো সিএনজি'র পাইলটরা সিএনজি ড্রাইবিং সিটে বসেন না।পাঁচ জন পূর্ণ হলে তবেই বসেন।এটা তাদের অলিখিত নিয়ম।অবশ্য ড্রাইবারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে এই নিয়ম বানচাল করা যায়।সেজন্য শর্ত হিসেবে আপনাকে খালি সিট গুলার টাকা দিতে হবে।তো সে যাই হোক,সিএনজি তে একা একা বসে কানে স্বভাব বিরুদ্ধ হেড ফোন গুঁজে ফেইসবু...কিং করছি আর অনাগত যাত্রীদের জন্য অপেক্ষা করছি।ঠিক সেই সময় কানে এলো একটা শব্দ।"মিলিটারি আসছে"এই টাইপের কিছু একটা (এখন বুঝতে পারছি কানে হেড ফোন থাকার কারণে তখন "পিকেটার"শব্দ টা বিবর্তন হয়ে আমার কানে আসছে"মিলিটার কিংবা মিলিটারি" হয়ে )।তো শব্দটা শুনে সাথে সাথে সিএনজি থেকে নেমে যাই।এবং কিছু বুঝে উঠার আগেই দেখি;আমজনতার এদিক-ওদিক দৌড়াদৌড়ি,পুলিশের গাড়ির হুইসেল, বুলেটের শব্দ...মানুষ জন দোকান পাট বন্ধ করছে,সিএনজি ওয়ালারা তাদের সিএনজি নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাচ্ছে,আবার দেখলাম;আমার বয়েসি কয়েকটা ছেলে পুলিশ কে লক্ষ করে ইট এবং ককটেল ছুঁড়ছে । অবশ্য পুলিশও বসে নেই!তারা তাদের সাধ্য মতো পাল্টা আক্রমণ করছে।বলা যায় সব মিলিয়ে মুহূর্তটা তখন ছিল পুরো বিভীষিকাময়! আমি কল্পনা করিনাই জীবনে এই রকম একটা বিভীষিকাময় পরিস্থিতিতিতে পড়বো!


যাই হোক,এখন উপর ওয়ালাই জানেন সামনে এই টাইপের পরিস্থিতি আর কতোটা দেখতে হবে !!!!!!
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সাবধানের মার্ নেই

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৩১


নিউ ইয়র্ক থেকে ফিরার পথে নিউ আর্ক্ লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যখন এরোপ্লেনে উঠে নির্দিষ্ট সীটের কাছে পৌঁছলাম দেখলাম এক প্রৌঢ় ভদ্রলোক জানালার পাশের সিটটাতে অলরেডি বসে আছেন। আইল ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

হারানো বিজ্ঞপ্তি

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৩১



অত্যন্ত দুঃখ ও ভারাক্রান্ত হৃদয়ে জানানো যাচ্ছে যে, গত প্রায় দুই বছর যাবৎ বিবেক, বুদ্ধি, জ্ঞান, বিচার ও বিবেচনা - এই পাঁচজনকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। একসময় তাঁরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:২৫


মার্কিন মাটিতে ‘আত্মঘাতী ভুল’- নাকি বদলে যাচ্ছে হিসাব?

শেখ হাসিনা কি ফিরবেন?
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কখনো কখনো একটি বৈঠকের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে- কোন বৈঠকটি হলো, কোনটি হলো না এবং কোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংখ্যা গরিষ্ঠ মুসলিম হিসেবে গর্ব করার কিছু নেই......

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আমরা যারা আপাত দৃষ্টিতে হায়েনা নই কিন্তু নিরবে স্বচক্ষে হিন্দুদের সর্বনাশ দেখে যাচ্ছি তারা সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ বাংলার হিন্দু, বাংলার খ্রীষ্টান, বাংলার বৌদ্ধ, বাংলার মুসলমান, আমরা সবাই বাঙ্গালী-এই বৈষম্যহীনতা... ...বাকিটুকু পড়ুন

অল্প একটু পাশে থেকো

লিখেছেন রানার ব্লগ, ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১০:১০



আমাকে খুব বেশি কিছু দিতে হবে না,
এক মুঠো আকাশও নয়,
আচেনা কোনো বিকেলও নয়।

শুধু কখনো কখনো
আমার নির্জন ঘরের দরজায়
টোকা দিয়ে দাঁড়িয়ো, যেন বুঝতে পারি
ফুরিয়ে যাবার বেলা এখনো আসেনি ।

আমাকে প্রতিদিন মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×