ঘোড়ার ডিম : বাঘমামা কেমন আছেন?
বাঘ : আপনি আমাকে মামা ডাকছেন কেন?
ঘোড়ার ডিম : না, মানে শেয়াল তো আপনাকে মামা ডাকে।
বাঘ : আপনি কি শেয়াল?
ঘোড়ার ডিম : স্যরি
বাঘ : কিছু মনে করবেন না! শেয়ালের সঙ্গে একটু আগে ঝগড়া করেছি। সে জন্য চান্দি গরম। তা সাক্ষাৎকারটা তাড়াতাড়ি শুরু করেন।
ঘোড়ার ডিম : সরকার চাচ্ছে ২০২২ সালের মধ্যে আপনাদের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে। তো এটা নিয়ে আপনাদের ভাবনা কী?
বাঘ : সরকার শুধু চাইলে তো আর হবে না, আমাদেরও চাইতে হবে। তা ছাড়া আমাদের রাজ্যের সব বাঘ অলরেডি পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করে ফেলেছে। তারা এখন সচেতন।
ঘোড়ার ডিম : আপনারা পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করা শিখলেন কোথায় থেকে?
বাঘ : বিটিভির পরিবার পরিকল্পনা অনুষ্ঠান আছে না! ওই যে দুই সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়। তাদের যদি আমাদের দ্বিগুণ করার ইচ্ছা থাকত তাহলে বলত, এক হালির কম নয়, দ্বিগুণ হলে ভালো হয়।
ঘোড়ার ডিম : আরে এই স্লোগান তো মানুষের জন্য, আপনাদের জন্য না।
বাঘ : মাইনকার চিপায় পইড়া এই স্লোগানটা এখন আমরা ফলো করি। অবশ্য ফলো না করে উপায় নেই। কারণ আমাদের আবাসনব্যবস্থা খুব অল্প। এক সুন্দরবনে আর কতটুকুই বা জায়গা।
ঘোড়ার ডিম : তার মানে সরকার আপনাদের জায়গা দিলে আপনারা আপনাদের সংখ্যা দ্বিগুণ করতে রাজি হবেন?
বাঘ : দূর মিয়া! বাঘ কি গাছে ধরে যে সরকার জায়গাজমি দিল, আর আমরা নাড়া দিয়ে কয়টা বাঘ গাছ থেকে ফেলে দিলাম!
ঘোড়ার ডিম : আপনার কথা শুনে মনে হচ্ছে, এই সরকারের সঙ্গে বাঘসমাজের সম্পর্ক ভালো না।
বাঘ : এই ধারণাটা মিডিয়ার সৃষ্টি। আমাদের সঙ্গে সরকারের সম্পর্ক খুব ভালো।
ঘোড়ার ডিম : সর্বশেষ প্রশ্ন, কয়েক দিন আগে আপনাদের স্বজাতিরা ক্রিকেট মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজদের সঙ্গে লাগাতার ওয়াশ হইছে! এ নিয়া আপনাদের অনুভূতি কী?
বাঘ : ভাই, আপনার পায়ে ধরি, ওয়াশ প্রসঙ্গটা নিয়ে আর টিজ করবেন না। এমনিতেই শেয়াল আর বানর আমাদের পোলাপানদের দেখলেই টিজ করে বলে, দৌড়া ওয়াশ মামা আইল।
ঘোড়ার ডিম : আপনাকে ধন্যবাদ 'ঘোড়ার ডিমে' সাক্ষাৎকারটি দেওয়ার জন্য।
বাঘ : ঘোড়ার ডিম? ঘোড়ায় ডিম পাড়ে? ফাজলামি করেন মিয়া? হালুম হালুম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

