৫ম শ্রেনীর জাতীয় প্রতিযোগিতা কতটুকু অর্থ বহন করে এই কোমলমতি শিশুদের জন্য? তা-ও আবার প্রশ্ন ফাসের যুগে। যে বয়সে আনন্দ করবে, পিতামাতা ও গুরুজনের নিকট হতে নৈতিক শিক্ষার বীজ রোপিত হবে, নতুন বইয়ের গন্ধ শুকবে, তারপর খেলতে যাবে। এটাই তো শৈশবের জন্য যথেষ্ট, তাই না? মানস গঠন, শরীর গঠন সুস্থ মন ও সুস্থ দেহের জন্য অপরিহার্য। কারন, শৈশবের সংক্ষিপ্ত সময় কিন্তু খুবই গুরুত্ত্ব রাখে ভবিষ্যতের জীবন সংগ্রামের জন্য তৈরি হবার ক্ষেত্রে।
কিন্তু, তাই বলে এই বয়সে প্রতিযোগিতার খেত্র প্রস্তুত করা মোটেও সঙ্গত নয়। প্রতিযোগিতা করার জন্য যে মানসিক Maturity (পরিপক্কতা) লাগে, তা এই বয়সে মোটেও শিশুদের অর্জিত হয় না। বরঞ্চ, এই চাপ তারা নিতে পারছে না। চাপ নিতে গিয়ে আনন্দ হারিয়ে ফেলছে, নৈতিকতা বিকাশের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা হচ্ছে। আর প্রশ্ন ফাস? এটা তো মরার উপরে খাড়ার ঘা। কোথায় যাচ্ছে আই শিশুদের ভবিষ্যত? এই সবই আসছে প্রতিযোগিতার কুফল বেয়ে। দুধের গন্ধ-ই মুখ থেকে দূর হল না, অথচ পাশ-ফেলের চিন্তা। ও না- জিপিএ-৫ এর চিন্তা।
শিশুদের শিক্ষা পদ্ধতি হবে একান্ত মমতায় ভরা। থাকবে না কোন টেনশন। প্রতিযোগিতা থাকলেও শিশুদের জীবনে এর তেমন প্রভাব থাকবে না। অর্থাৎ, শিশুরা টেরই পাবে না, প্রতিযোগিতা কখন কোনদিক দিয়ে হয়ে গেল। এই বেদনার বিষ তাদের স্পর্শ করবে না।
তাই, বলছি, এই অশুভ প্রতিযোগিতা বন্ধ হোক। শিশুদের আনন্দময় জীবন দিন। এই শৈশব আর কখোনো ফিরে আসবে না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


