জ্ঞান অর্জন ফরজ সকল ফরজের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফরজ কারন জ্ঞান ব্যতীত মহান আল্লাহকে চেনা যায় না এবং আল্লাহ কোন ইবাদত করা যায় না।
১) কোরআন :
সূরা আলাকের ১নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “পড় তোমরা প্রতি পালকের নামে, যিনি সূষ্টি করেছেন ( সব কিছু)।”
২) কোআন :
সূরা আর-রাহমানের ১নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “অতি বড় মেহেরবান (আল্লাহ) এ কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন।”
৩) কোরআন :
সূরা ত্বা-হার ১১৪ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “এবং বল, হে আমার প্রভু! আমার জ্ঞান বাড়িয়ে দাও”।
৪) কোরআন :
সূরা আযযুমার ৯ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “বল যারা জানে আর যারা জানেনা তারা কি সমান হয়”।
৫) কোরআন :
সূরা আল মুজাদিলার ১১ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “তোমাদের মধ্য থেকে যারা ঈমান এনেছে এবং (ঈমানদারদের মধ্য থেকে) যাদেরকে জ্ঞান দান করা হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছেন”।
৬) কোরআন :
সূরা ফাতিরের ২৮ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : আল্লাহকে একমাত্র তারাই ভয় করে যারা তাঁর শ্রেষ্ঠত্বের জ্ঞান রাখে”।
৭) কোরআন :
সূরা জুময়ার ৫ নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেন : “যাদেরকে তাওয়াত দেয়া হয়েছিল, অতঃপর তারা তার অনুসরণ করেনি, তাদের দৃষ্টান্ত সে গাধার মত, যে পুস্তক বহন করে( অথচ গাধা জানেনা পুস্তকের মধ্যে কি লিখা আছে।”
৮) কোরআন :
সূরা জুমার ৯ নং আয়াতে আল্লাহ বলেন : “বল,যারা জানে আর যারা জানেনা, তারা কি সমান হতে পারে?”
১) হাদীস :
হযরত আবু হুরায়রা রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন : যে ব্যক্তি ইলম হাসিল করার জন্য কোন পথে চলে (এর বিনিময়ে) আল্লাহ তার জন্য জান্নাতে যাবার পথ সজহ করে দেন।
২। হাদীস :
হযরত আবু হুরায়রা রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন : যে ব্যক্তি হিদায়াতের দিকে আহবান করে সে ব্যক্তি (তার আহবানের ফলে) যারা হিদায়াতের পথে চলে তাদের সমান প্রতিদান পায়। এক্ষেত্রে হিদায়াতের পথ অবলম্বনকারীদের সওয়াবের কোন কমতি করা হয়না।
৩। হাদীস :
হযরত আবু হুরায়রা রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন : মানুষ যখন মারা যায়, তার সমস্ত আমল বন্ধ হয়ে যায়। তিনটি আমলের সওয়াব জারী থাকে : সাদকায়ে জারীয়া, এমন ইলম যা থেকে লাভবান হওয়া যায় এবং সুসন্তান যে তার জন্য দোয়া করে।
৪। হাদীস :
হযরত আবু সাঈদ খুদরী রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলছেন : কল্যাণ (দ্বীনে ইলম) কখনো মুমিনকে পরিতৃপ্ত করতে পারেনা, অবশেষে জান্নাতে এর পরিসমাপ্তি ঘটবে।
৫) হাদীস :
হযরত আবু দারদা (রা
৬) হাদীস :
হযরত হাসান বসরী (রা
৭) হাদীস :
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা
৮) হাদীস :
হযরত আনাস (র্:া) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা
৯) হাদীস :
হযরত আনাস (রা
১০) হাদীস :
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা
১১) হাদীস :
হযর রাসূলে করীম (সা
আপর হাদীসে উল্লেখ আছে, ‘যারা মানুষকে ভাল কথা শিক্ষা দেয় তাদের জন্য আল্লাহ তাঁর ফেরেশতাকুল এবং আসমান ও যমীনের অধিকাসীরা এমনকি পিপিলিকাসমূহ তাদের গর্তে, মৎসসমূহ পানিতে দু‘আ করতে থাকে।”
আলোচ্য হাদীসে ইলম অন্বেষণকারীর মর্যাদা প্রসঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। এখানে তিনটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রথমত : ইলম অন্বেষন করার উদ্দেশ্যে যে পথ চলবে, তাকে আল্লাহ জান্নাতে গমনের পথ সুগম করে দেবেন। কেননা জান্নাতে যেতে হলে নেক আমল করতে হবে। আর নেক আমল করার জন্য ইলম অর্জন করা জরুরী।
দ্বিতীয়ত : ইলম অন্বেষণকারীগণ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইলম শিক্ষার জন্য বের হয়, তাই তাদের মর্যাদায় ফেরেশতাগণ তাদের পাখা বিস্তার করে দেন। অর্থাৎ ইলম অন্বেষণকারীর সাহায্যে এগিয়ে আসেন।
তৃতীয়ত : ইলম অন্বেষণকারীর জন্য গর্তের পিপিলিকা ও পানির মাছ পর্যন্ত দু‘আ করতে থাকে এবং সকলেই তার মাগফিরাত কামনা করে।
১২) হাদীস :
হযরত আবু যর (রা
১৩) হাদীস :
হযরত আবদুল্লা ইবনে আমর আস (রা
১৪) হাসীস :
হযরত আবু হুরায়রা (রা
১৫) হাদীস :
হযরত আলী (রা
১৬) হাদীস :
রসূলে করীম (সা

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




