স্বাধীনতা বিপন্ন-
তোর কথায় লিখে যাই যা মনে হয় তারই দুইছত্র
তবু আজ স্বাধীনতা বিপন্ন;
একদিন চিরচেনা সকালে সারারাতের আড়মোড়া ভেঙ্গে দেখি-
আমি আর তুই মুখোমুখি দাড়িয়ে,
আমার সারাদেহ, গোপন সব স্থান ছেনেছুনে তুই মুচকি হাসছিস;
একদিন এইভাবেই তুই আমার শয্যাসঙ্গী হয়ে উঠছিস,
যেমন করে একজন স্বামী তার স্ত্রীর সমস্ত শরীর দুমড়ে মুচড়ে ভালবাসা আদায় করে নেয়,
আজ সকালে তোর মুখোমুখি দাড়িয়ে আমার মনে হয়েছে
আমি সেই নারী যে সদ্যই গতরাতে, তার স্বামী লালসায় ভালবাসার অর্থ খুজে নিয়েছে।
আজ আমার তোর এমনকি ঐ রাস্তার অস্পৃশ্যার স্বাধীনতা বিপন্ন-
তবুও এইভাবে কেটে যাচ্ছে তোর সাথে আমার সংসারজীবন;
একদিনের সোনালী সংসারে রাত ফুরোতেই চারদিক খুব ঘোলাটে,
এভাবেই হারিয়ে যাচ্ছে, আমার তোর কবিতার খাতা কিংবা প্রতিবাদের কলম।
ঘটনাচক্রেই যদিবা আজ সকালটা ভিন্ন হবার কথা ছিল
তবুও সদ্য হারিয়ে যাওয়া সতীত্বের রক্তে ভিজে গেছে ভালবাসার চাদর-
তা-ই শুকেই তুই বুঝি খুব মজা পাচ্ছিস? লোভাতুর দৃষ্টিতে আমার দিকে বাহু বাড়িয়ে দিচ্ছিস আরও রক্ত পাওয়ার আশায়;
আর কতটা রক্ত দিলে বল ভালবাসা পূর্ণ হবে, মনে হবে দায়িত্বপালন করা হবে।
আমার ঘরের জানালা দিয়ে যে কৃষ্ণচূড়া গাছটা দেখা যায়,
আজ সকাল থেকেই সেখানে শবের মিছিল জেগেছে, তুই কি আমাকে তাই দেখাতে ডেকে তুলেছিস? নাকি তোর আরও রক্ত প্রয়োজন? এখন কি আমার পালা? এবার কি আমার ছুটির ঘন্টা বেজে উঠেছে? কাল কি আমিও সেই শবের মিছিলের একজন হব, আর তুই আমার ঘরের এই জানালা দিয়ে তা দেখে মুচকি হাসবি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


