১৫। ৭৯৯ পৃষ্ঠার আবর্জনার স্তূপটা শুরু হয়েছে, ইন্ডিয়ান একজন বিচারপতি ভিভিয়ান বোসের ১৯৫৪ সালের একটা ভাষণের কিছু অংশকে উদ্ধৃত করে। এরপর পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা অপ্রাসঙ্গিক, অবান্তর উদ্ধৃতি আর বাগাড়ম্বর।
১৬। নিয়ম অনুযায়ী যে কথাটা রায়ের প্রথমেই বলতে হয়, তা তিনি বললেন ৭ নং পৃষ্ঠায় এসে। কথাটা হলো, তারা কি বিচার করতে বসেছেন। তারা বিচার করতে বসেছেন, ১৬শ সংশোধনী সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ব্যাহত করেছে কি না? The moot question that raised in this appeal that requires a clear answer from this court is whether the Constitution (Sixteenth Amendment) Act, 2014 has violated the basic structure of the constitution. (পৃষ্ঠা ৭)
১৭। এই বিচার্য বিষয়ের উত্তর -- না, ১৬শ সংশোধনী সংবিধানের মৌলিক কাঠামোকে ব্যাহত করে নাই।
কারণ -- বাহাত্তরের মূল সংবিধানে এই বিধান ছিল। ১৬শ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান ফিরত আনা হয়েছে মাত্র। এখন এই সত্যটাকে ঢাকার জন্য ৭৯৯ পৃষ্ঠার আবর্জনা ফেলা হয়েছে। এই আবর্জনা নিয়ে আলোচনা করা মানে সময় নষ্ট করা। উদ্ধৃতির পর উদ্ধৃতি, একই কথার পুনরাবৃত্তি।
১৮। তা হলে উদ্দেশ্য কি? উদ্দেশ্য জানতে হলে আগে জানতে হবে কে সে? মানবজমিন পত্রিকায় একটা টেলিফোন কথোপকথনের টেপ প্রকাশিত হয়েছিল। তিনি ট্রাইব্যুনালের এক বিচারপতিকে বলছেন, ২/৩ জনকে ফাঁসি দিয়ে আসেন, আপিলেট ডিভিশনে নিয়ে নিব। সুতরাং তার সততা, সাধুতা, ন্যায়পরতা ইত্যাদি নিয়ে কারো সন্দেহ থাকার কথা না।
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




