
বাংলাদেশে সম্মানিত রাষ্ট্রপতি (হবু)
নির্বাচন, এই শব্দটি শুনা মাত্র যে বিষয়টি আমাদের মাথায় আসে তা হচ্ছে ভোট প্রদানের যোগ্য ভোটারদের স্বাধীন ভোটের মাধ্যমে একজন যোগ্য ব্যাক্তিকে দায়িত্ব অর্পণের জন্য নির্বাচিত করা। এর বাহিরে যে পদদ্ধি ব্যবহার করে দায়িত্ব অর্পণ করা হোক না কেন তা গণতন্ত্রের চোখে নির্বাচিত নয় তা হবে সিলেকশন।
গণতান্ত্রিক নির্বাচনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হচ্ছে ভোটারের ভোট দানের স্বাধীনতা এবং গোপণীয়তা। যদি নিদিষ্ট ব্যাক্তি ব্য প্রতীকে ভোট দান পূর্ব নির্ধারিত করা থাকে তাহলে সেই ব্যাক্তির স্বাধীন মত প্রকাশ রুদ্ধ করা হয় তা সংবিধান পরিপন্হী।
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন!! শুনতে বেশ ভাল লাগছে কিন্তু রাষ্ট্রীয় খরচে (জনগনের ট্রাক্সের টাকায়) হচ্ছে তামাশা।
বাংলাদশের সংবিধান ৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, দলীয় সিধান্ধের বাহিরে ভোট প্রদান করিলে তাহার সংসদ সদস্য পদ বাতিল বলিয়া গণ্য হইবে!! যে সংবিধান জনগনের মত প্রকাশ স্বাধীন ও গোপনীয় রাখতে প্রতিশ্রতিবন্ধ সেই সংবিধান নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের মত প্রকাশের স্বাধীনতা কেড়ে নিচ্ছে!! কি অপূর্ব সংবিধান!!!
অন্তবর্তকালীন সরকার সংবিধান সংস্কারের যে বিষয়টি নিয়ে এসেছিল তার ভিতের অন্যতম ছিল এই ৭০ অনুচ্ছেদ, সেখান তারা সরকারের অভিসংশন ও অর্থবিল ছাড়া বাকি সব বিষয়টি নিজের স্বাধীন মতামত প্রকাশ করা সুযোগ থাকবে কিন্তু বিএনপি সরকার গঠনের পর জুলাই সনদ কার্যকর নিয়ে তালবাহনা করছে সাথে ৯৬ ও ২০০৬ সালে যে শক্তিশালী স্বৈরাচার হতে না পারার আক্ষেপ ঘুচানোর জন্য পথ উন্মুক্ত করে রাখছে।
সব শেষে কথা- নির্বাচনের নামে জনগনের ট্রাক্সের টাকায় এই নির্বাচন তামাশা অনতিবিলম্বে বন্ধ করা উচিত।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


