somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

খেলা উপভোগ করুন:

২১ শে জুন, ২০২৪ রাত ৯:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


খেলাকে খেলা হিসেবে উপভোগ করা উচিত। যখন বিজয়ী হবেন তখন নম্রতার সাথে বিজয় উদযাপন করুন এবং যখন পরাজিত হবেন তখন পরাজয়কে স্বাচ্ছন্দ্যে মেনে নিন। খেলায় জিতে গেলে সব কিছু ভালো, আর হেরে গেলে সব কিছু খারাপ, এই মানসিকতা ক্ষতিকর। সব সময় বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানান এবং পরাজিত দলকে উৎসাহিত করুন।


খেলাধুলার গুরুত্ব জয় পরাজয়ের থেকে অনেক বেশি। নিজের স্বার্থেই খেলাটি উপভোগ করুন, এতে খেলাটির প্রতি আপনার ভালবাসা বাড়বে। খেলাটির প্রতি ভালবাসা বাড়লে খেলাটির সূক্ষ্ম সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারবেন। সুন্দর বোলিং বা বেটিং বা ফিল্ডিং উপভোগ করুন, সেটা যে দলই করুক না কেন। এতে সুস্থ প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বৃদ্ধি পাবে। যখন বিজয়ী হবেন তখন নম্রতার সাথে বিজয় উদযাপন করুন, কিন্তু পরাজিত দলকে ব্যঙ্গবিদ্রূপ করবেন না। মনে রাখতে হবে সাফল্যের সাথে অনেকের সমর্থন এবং প্রচেষ্টা জড়িত থাকে, শুধুমাত্র ব্যক্তিগত প্রতিভা নয়। পরাজিত দলকে উৎসাহিত করলে তাদের কঠোর পরিশ্রমের প্রতি সম্মান দেখানো হয়।


সহজে পরাজয় মেনে নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি মানসিক শক্তি বাড়ায় এবং ভুল থেকে শেখার ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাছাড়া খেলায় পরাজয় সহজে মেনে নিলে এটি সব কিছুতে জেতার যে অস্বাস্থ্যকর নেশা তার চাপ এবং হতাশা কমিয়ে মানসিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই সুষম দৃষ্টিভঙ্গি ব্যক্তিগত মানসিক বিকাশ এবং ক্রমাগত উন্নতিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।


একজনকে জিততেই হবে আর অপরজনকে হারতেই হবে এই অনমনীয় মানসিকতা মনের উপর নেতিবাচক প্রভাব সৃষ্টি করে। এই মনোভাবের কারণে মনের উপর অযথা চাপ, জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হতে পারে এবং প্রতারণার মতো অনৈতিক আচরণের দিকে নিয়ে যেতে পারে। এই মানসিকতা খেলাধুলার অন্তর্নিহিত মূল্যবোধকেও দুর্বল করে দেয়, যেমন দলগত কাজ, অধ্যবসায় এবং ন্যায্য খেলা।

বিজয়ী দলকে অভিনন্দন জানানো এবং পরাজিত দলকে উৎসাহিত করা ইতিবাচক আচরণ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাকে শক্তিশালী করে। এই ধরণের মনোভাব এবং আচরণ একটি সহানুভূতিশীল সমাজ গড়ে তোলে। এই ধরণের সমাজে মানুষ অন্যদের প্রতি সততা এবং সম্মান বজায় রেখে শ্রেষ্ঠত্বের জন্য চেষ্টা করতে অনুপ্রাণিত হয়। এরফলে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ইতিবাচক খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টি হয়। এই ধরণের পরিবেশ যেকোনো খেলার দীর্ঘমেয়াদী বিকাশ এবং উপভোগের জন্য অপরিহার্য।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুন, ২০২৪ রাত ৯:৫২
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এই যে জীবন

লিখেছেন সামিয়া, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১২:২৪



এই যে আমার জীবনে কিছুই করা হলোনা, সেটা নিয়ে এখন আর খুব বড় কোনো আফসোস করি না। জীবন আসলে নিজের মতোই চলতে থাকে। সকালে ঘুম থেকে উঠি, রান্নাঘরে গিয়ে চায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ স্বাধীনতা

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ২:১২


বাবা পাখিটি গাইছে গান
আমড়া গাছের ডালে।
ছানাগুলো নিশ্চিন্তে
মায়ের বুকের তলে।

রীনা বসে বীনা বাজায়
মীনা গায় গান।
দীনা বলে পুষবো পাখি
একটা ধরে আন।

মা শুনে কয় বনের পাখি
বনেতেই মানায়।
বন্দী পাখি হয় যে দুঃখী
উচিত কাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×