
১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে নেয়া যায় শেখ হাসিনা বিহীন আওয়ামী লীগ ১০/১৫ বছরেও ক্ষমতায় হয়তো আসতে পারবে না। আচ্ছা ধরলাম, আওয়ামী লীগ ১০ বছর পর ক্ষমতায় আসল…
২. ইন্টারনেট খুঁজে দেখলাম, মাসুদ কামাল, আবদন নুর তুষার, আনিস আলমগীর, মোস্তফা ফিরোজ – এদের প্রত্যেকের বয়স ৫৪-৫৮ বছর। ১০ বছর পর তাদের প্রত্যেকের বয়স হবে ৬৫+। ঐ বয়সে আওয়ামী লীগ থেকে এরা দালালির জন্য কী পেতে পারে পুরস্কার? কোন চ্যানেল? পত্রিকা বা বড়জোর উপদেষ্টার পদ?
৩. বিএনপি ১৭ বছর পর ক্ষমতায় এসেও সেই পুরোনো ক্ষুধার্থগুলোই মন্ত্রী, এমপি হয়েছে। প্রাকৃতিক নিয়মে অনেকে আর বেঁচে নেই, তবে সেই পুরোনো মনমানসিকতার লোকেরাই (পরিবার, আত্মীয় স্বজন. ২য় প্রজন্ম) এখন ক্ষমতায়। একই ব্যপার হবে আওয়ামী লীগের বেলাতেও। বর্তমানে পলাতক ছাত্রলীগ, যুবলীগ নেতারাই তখন মন্ত্রী, এমপি হবে…
৪. তাহলে তুষার, আনিস দের কী হবে? তখনকার ক্ষুধার্থ লীগাররা কি তুষার, আনিসদের জায়গা ছেড়ে দিবে? ৬৫+ বছরের একজন মানুষের আর চাওয়া পাওয়ারই বা কী থাকতে পারে? তাহলে কেন বিবেক বিক্রি করে, মানুষের ঘৃণা নিয়ে ফ্যাসিস্ট দলের দালালি করে যাচ্ছেন তেনারা? এঁদের মস্তিস্ক, ডিএনএ নিয়ে গবেষণা করা উচিত...
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



