এ পর্যন্ত বলার পরই বিচারক তাকে থামিয়ে দিয়ে বললেন_'হয়েছে, হয়েছে। আপনাকে কষ্ট করে আর বলতে হবে না। আমি বুঝে গেছি।' তারপর বিচারক মাতাল পন্ডিতকে এক মাসের কারাদন্ড দিলেন। আর ওই পন্ডিত যে নামগুলো উচ্চারণ করেছিল তার একটি তালিকা পুলিশের দিকে বাড়িয়ে বললেন_'আমার মনে হচ্ছে, এ লোকগুলো এর চেয়েও বড় অপরাধী। তাদের গ্রেফতারের ব্যবস্থা করুন।'
জঙ্গিবাদের আধ্যাতি্বক নেতা শায়খ আবদুর রহমান ধরা পড়ার পর ধরা পড়েছে আরেক জঙ্গি নেতা সিদ্দিকুল ইসলাম বাংলাভাই। তাদেরকে ইতোমধ্যে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হয়েছে, হয়েছে বিভিন্নমামলা। আচ্ছা, তাদের যদি সেই আদালতের বিচারক কিছু বলার সুযোগ দেন তবে তারা কী বলবে? তাদের মধ্যে কি মাতাল পন্ডিতের মতো বক্তৃতা দেয়ার মুড এসে যাবে? তারা কি বলতে শুরু করবে_আমি দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মতো ওয়াজে পটু নই, নিজামীর মতো আমি বাংলা ভাই মিডিয়ার সৃষ্টি বলেও ক্ষমতার জন্য কোনো নারীর অধীন মন্ত্রী নই (নিজামী সাহেবরা বহুবার বলেছেন, নারী নেতৃত্ব হারাম), ফজলুল হক আমিনীর মতো উল্টাপাল্টা কথা বলায় পটু নই। সুতরাং আমি ...?'
আচ্ছা কৌতুকের মতো এতটুকু শোনার পরই কি বিচারক রায় দিয়ে দেবেন শায়খ রহমান কিংবা বাংলাভাইয়ের ব্যপারে? যদি তাই হয় তবে কি পরের অংশটুকু হবে আরো করুণ হবেনা? বিচারক তখন কার কার তালিকা দিয়ে বলবেন, এদের গ্রেফতার করুন? বাংলা ভাইকে প্রশ্রয় দিয়েছিলেন এসপি মাসুদ মিঞা। কয়েকটি পত্রিকা লিখেছে, রাজশাহীর একজন ফুল মন্ত্রী, একজন প্রতিমন্ত্রী, একজন উপমন্ত্রী ও দু'জন সংসদ সদস্য রহমান -বাংলাভাইকে প্রশ্রয় দিতেন; তাহলে কি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হতো?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



