somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

মেঘ ও মেঘালয় (২য় পর্ব)

২০ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ১:২৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


Riwai Village এর Living Root Bridge দেখার পর আমরা Mawlynnong Village দেখতে গাড়ীতে উঠলাম। Riwai থেকে Mawlynnong এর দূরত্ব ২কি.মি.। অর্থাৎ ডাউকী থেকে মাওলিনং ৩৮ কি.মি. এবং শিলং থেকে ৮০ কি.মি.।
মকবুল ফিদা হুসেন মাওলিনং এর ছবি না এঁকে দেবী দূর্গার বস্ত্রহীন ছবি এঁকে ভারতবাসীর মনে কেন কষ্ট দিয়েছেন তা জানি না। তবে ছােট্র এ গ্রামটি ছবির মত।

২০০৩ সালে Discover India মাওলিনং কে এশিয়ার পরিচ্ছন্ন গ্রামের স্বীকৃতি দেয়। এখানকার অধিবাসীরা ‘খাসি’ সম্প্রদায়ভূক্ত। খাসি সমাজ মাতৃতান্ত্রিক। এ গ্রামে বসতবাড়ীর সংখ্যা ৯৫টি এবং লােক সংখ্যা প্রায় ৫০০ জনের মত।

গ্রামের রাস্তার দু’পাশে সারি সারি পাতাবাহার ও ফুল গাছ।

বাঁশের তৈরী Bin রাস্তার পাশে বসানো।

হাঁটতে হাঁটতে চােখে পড়ল Pitcher Plant (কলস উদ্ভিদ)।

পতঙ্গঁভুক এ উদ্ভিদের ছবি বইয়ের পাতায় দেখেছি। স্ব-চক্ষে দেখলাম এই প্রথম।

গ্রামে একটা চার্চও আছে।

হঠাৎ রাস্তার মাঝখানে ছােট ভাই মিজান বসে পরল। বলল ‘একটু জিরিয়ে নেই’।

এরপর মাওলিনং গ্রামে দুপুরের খাবার খেয়ে গাড়ীতে উঠলাম। গাড়ী চলতে শুরু করল। খাসী ড্রাইভার মিনিট তিনেক পর হঠাৎ ব্রেক করলেন। ঘাড় ঘুরিয়ে বললেন, Left side, Balancing Rock. গাড়ী থেকে নেমে ১০ রূপির টিকেট দিয়ে Balancing Rock দেখলাম।

Rock দেখা শেষ হলে শিলংয়ের উদ্দেশ্যে ড্রাইভার গাড়ী ছাড়লেন। পাহাড়ী রাস্তায় গাড়ীতে দুলুনী ও ক্লান্তিতে যখন চােখ বন্ধ এমনি এক মুহুর্তে লিজা আপু চেচিয়ে উঠলেন। চােখ খুলে দেখি আমাদের গাড়ীর চারপাশে মেঘ। জানালার এ পাশ দিয়ে মেঘ ঢুকে অন্য পাশ দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে। আমার চশমার কাচে বিন্দু বিন্দু পানি। এ জায়গায় গাড়ী থামিয়ে আমরা ছবি তুললাম।

সন্ধ্যা নাগাদ আমরা শিলংয়ের সেন্টার পয়েন্টে চলে আসলাম।

তারপর রাত বাড়ল। এরপর সকাল। শরীফ ভাই!

সন্ধ্যা ও সকাল এর মাঝের সময়টুকু আমি ভুলে থাকতে চাই।

বিঃ দ্রঃ ড্রাইভার-কাম- গাইড ও স্থানীয় বাসিন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে লেখাটি উপস্থাপন করা হয়েছে। তাই তথ্যগত ভুল হলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।






সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৬ দুপুর ২:৪৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দেশভাগ এবং ধর্ম- অধর্ম

লিখেছেন রাজীব নুর, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:২৪



শীতের শেষে সমস্ত গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
তখন পাতা ছাড়া গাছ একদম রুগ্ন মনে হয়। শুকনো পাতা দিয়ে মাটির পথ ঢেকে যায়। সেই পথ দিয়ে কোনো পথিক হেটে গেলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিরো থেকে হিরো (মহাজগৎ সংক্রান্ত) - পর্ব-১

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫০




কোন কিছুর অস্তিত্ববিহীন অসীম শূন্যে উদ্ভব ঘটেছে সকল বস্তু ও শক্তি উপাদানের। তাতে কোন স্থান না থাকায় উক্ত বস্তু ও শক্তি উপাদান সমূহ একে অপরের স্থান হয়েছে। সুতরাং... ...বাকিটুকু পড়ুন

শব্দের শক্তি, ভাষার মাধুর্য....

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫২

এমিরেটস, কাতার এয়ার লাইন্স ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট রিক্রুটমেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হচ্ছে গ্রুপ ডিসকাশন। গ্রুপ ডিসকাশনের সারমর্ম হচ্ছে—৬-৮ জন কয়েকটি গ্রুপে একটি নির্দিষ্ট টপিক নিয়ে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করবে। নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বলুন - "হ্যালো আল্লাহ্‌, আমি এখনো বেঁচে আছি!"

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৫:৫৫

আপনার কাছে মনে হচ্ছে, আল্লাহ্‌ আপনার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন।
তিনি আপনার দোয়া কবুল করছেন না।
আপনার কাছের মানুষকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন।
আপনার কোন চাকরী নাই। রিজিক ছোট হয়ে এসেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

উচ্চবংশীয় ছাগল!

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:০৯



এককালে কেবল ঘড়িতেই বাজতো টিক টিক- টিক টিক;
বারবেলায় এসে দেখছি টিক টিক বলে কিছু নেই আর ঠিক ঠিক!
বরং 'টিকটক'- এ আকণ্ঠ বুদ হয়ে আছে আবালবৃদ্ধবনিতা!
মানুষের লম্ফঝম্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

×