
একজন মানুষের জন্য ছাত্রজীবন মানেই একটি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ সময়। সে সময় একজন ছাত্র নিজেকে নিজের ভবিষ্যতের উপযোগী একজন মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে সচেষ্ট থাকেন।যেমন ধরা যাক একজন কৃষক কখন সে ভাল ফলন আশা করে ? যখন একজন কৃষক ভালো বীজ বপন করেন ঠিক তখনই তিনি ভাল ফসল আশা করেন ।
ঠিক একই ভাবে আমাদের দেশের ছাত্রছাত্রীরা নিজেদেরকে ভবিষ্যতের জন্য একজন ভালো অভিজ্ঞ রাষ্ট্র পরিচালক করে তৈরী করতে পারেন।
যেমন একজন দক্ষ বা অভিজ্ঞ লোক কোনো বিষয়ের
ওপরে একদিনেই দক্ষ বা অভিজ্ঞ হতে পারেন না ঠিক
তেমনি একজন ছাত্র রাজনীতি মাঠে আসা মাত্রই অভিজ্ঞ
হতে পারেন না।
একজন ছাত্রছাত্রীকে ভালো রাজনীতিবিধ হতে হলে তার
থাকতে হবে সৎ সাহস বা সততা তবেই সে ছাত্র থেকে
রাজনীতি জীবনে সফলতা অর্জন করতে পারে।
এদেশের একজন মেধাবী ছাত্র আগামী দিনের সচেতন এবং দেশপ্রেমিক নাগরিক হতে পারেন।
সাধারন মানুষের যেমন সব ক্ষেত্রে ইচ্ছা শক্তি এক নয়
তেমন ছাত্রছাত্রীদেরও এক ইচ্ছে শক্তি হয়না।একেক জন ছাত্রছাত্রীর একেক রকমের ইচ্ছা থাকতে পারে।
বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে কর্মজীবনে অংশ গ্রহণ করতে পারেন। তবে যারা দেশের সমৃদ্ধির জন্য মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চান তাদেরকে ছাত্র রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করতে দেয়া উচিৎ।
ছাত্র রাজনীতিতে অংশ গ্রহণ করার ফলে একজন ছাত্র ভবিষ্যতে ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারী-বেসরকারী চাকুরী যেখানেই কর্মজীবন শুরু করুক না কেন সেখান থেকেই অত্যন্ত নিষ্ঠা, দক্ষতা এবং সচেতনতার সাথে দেশের সমৃদ্ধির জন্য জনগণের কল্যাণে কাজ করতে পারেন।
আমাদের একটা বিষয় ভুলে গেলে চলবে না এ দেশে
বিট্রিশ আমল হতে শুরু করে ভাষা আন্দলোন এবং ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ সহ প্রতিটি ক্ষেত্রে ছাত্রদের
অবদান অনেক।
বিশেষ করে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৫৪‘র যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন,আন্দোলন, ৬৬‘তে ঐতিহাসিক ৬ দফা এবং ১১ দফা, ৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান, ৭০‘র নির্বাচন, ৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন। পরবর্তীতে ৯১‘র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে এদেশের ছাত্র রাজনীতির রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহাসিক ভূমিকা।
তাই সকল কিছু বিবেচনা করে আমাদের
সকলের উচিৎ দেশে ছাত্র রাজনীতির জন্য ভালো পরিবেশ
গড়ে তোলা।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:৫৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


