২০০৯ সালের ২৭ আগস্ট ঢাকা থেকে তত্কালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টির পাঠানো আরেকটি তারবার্তায় দেখা যায়, বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খান ছাত্রসংগঠনের কর্মীদের ‘নিজস্ব ভাঁড়’ উল্লেখ করে তাদের লাগাম টেনে ধরার উপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। মরিয়ার্টি ওই বার্তায় লেখেন, ফারুক খান বলেছেন, আমাদের নিজস্ব ভাঁড়গুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার। অন্যথায় যুব এবং ছাত্রসংগঠনগুলো আওয়ামী লীগের ব্যালট বাক্সে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলতে পারে। মরিয়ার্টিকে ফারুক খান জানান তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভেবে দেখতে অনুরোধ করেছেন এ ধরনের সংগঠনের আর কোনো উপকারীতা ও প্রয়োজনীয়তা আছে কি না। তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই যুক্তি তুলে ধরেন যে তত্বাবধায়ক সরকারের দুই বছরের শাসনের সময় ছাত্রসংগঠনগুলোর কোনো তত্পরতা না থাকার পরেও আওয়ামী লীগ ২০০৯ সালের নির্বাচনে বিপুল বিজয় পেয়েছে।
মরিয়ার্টির পাঠানো একই তারবার্তায় দেখা যায়, ফারুক খান তত্কালীন মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে ২০০৯ সালের ২৫ আগস্ট বলেছিলেন, আমরা যদি ভালোভাবে দেশ চালাতে না পারি তবে ‘ভবিষ্যতের গন্তব্য কারাগার’। পাঁচ বছর পর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে তবে তারা আমাদের জেলে পাঠাবে। ফারুক খান বলেন, পুনরায় ক্ষমতায় আসতে গেলে সরকারকে তিনটি বিষয়ে মনোযোগ দিতে হবে। এক. জিনিসপত্রের দাম কমাতে হবে। দুই. বিদ্যুত্ ঘাটতি কমাতে হবে এবং তিন. আওয়ামী লীগ কর্মীদের দ্বারা যাতে ক্ষমতার অপব্যহার না হয় সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে।
সূত্র

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


