বাংলাদেশ ব্যাংকের টাকা পাচারের বিষয়টি প্রথমে মিডিয়া বা ব্যাংক কেউই স্বীকার করেনি তারপর অবস্থা যখন বেগতিক তখন মিডিয়া অত্যন্ত দয়াপরবশ হয়ে লিখলো যে আসলেই এ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে এবং বোকাদের ধোকা দিয়ে হ্যাকাররা ৮০০০ কোটি টাকা ঝেড়ে দিয়েছে! ইন্টারনেটের কল্যানে অনেকেই আগে থেকেই বিষয়টা জানলেও আমজনতা জানতে পারলো দুদিন আগে!
এদিকে যে ব্যাংকে টাকা ছিল তারা বলছে সেখানে হ্যাকের কোন ঘটনা ঘটেনি আর বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবের বিপরীতে যে টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষের যথাযথ ক্লিয়ারেন্সেই হয়েছিল। যে ব্যাংক বিশ্বের শতাধিক দেশের ট্রিলিয়ন ট্রিলিয়ন ডলালের ব্যালেন্স হ্যান্ডেল করছে, তাদের সিক্যুরিটি সিস্টেম নিশ্চই এতোটা দুর্বল নয়। তাহলে বুঝতে তো আর বাকি থাকেনা যে এই সোনার বাংলারই কারও হাত আছে এই ঘটনায়।
জানা প্রয়োজন যে, পাচার হওয়া টাকা ফিলিপাইনে আটক হবার পর বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা স্বীকার করেছে, তার আগ পর্যন্ত নিরবতা পালনের কি হেতু। না মিডিয়া, না ব্যাংক কেউ কিচ্ছু জানালো না। কিন্তু কেন? আর এখন বলছে আমেরিকান ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করবে! কিন্তু কিভাবে? ওটা বাংলা নয় যে কারো নামে মামলা দিলেই ল্যাঠা চুকে গেল। পারবেন প্রমাণ দিতে? তা না হলেতো আবার নিজেদেরই কাছা সামলানো মুশকিল হয়ে যাবে।
মানি ট্রান্সফারের ক্লিয়ারেন্স তো বাংলাদেশ থেকেই গেছে, সেকারনে ঐ ব্যাংক তখন পেমেন্ট দিতে বাধ্য। আপনি যদি আপনার পাসওয়ার্ড, সুইফট কোডের নিরাপদে রাখতে না পারেন তার দায়ভার নিশ্চয় অন্য কেউ নেবেনা? আর সবচেয়ে বড় কথা বিশ্ববিখ্যাত সব প্রযুক্তিবিদ আমাদের দেশে থাকা সত্বেও দেশের সাইবার নিরাপওার এহেন দুর্বলতা সত্যিই বড়ই পরিতাপের বিষয়।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মার্চ, ২০১৬ সকাল ৮:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




