digital bangladesh-er protisruti diye asa sorkarer kachhe digital movie'r sensor chai.
Kamruzzaman Kamu
আমি ফেসবুকে কামরুজ্জামান কামুর ফ্রেন্ড। তার একটা সিনেমা হচ্ছে , নাম - দ্যা ডাইরেক্টর । এই নামে একটা গ্রুপও আছে ফেসবুকে। আমি সেই গ্রুপেরও মেম্বার। উপরের লেখা ক'টি সেই গ্রুপের এডমিন হিসেবে কামরুজ্জামান কামু পাঠিয়েছেন সকল সদস্যদের কাছে।
তিনি যা বলেছেন - ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসা সরকারের কাছে ডিজিটাল মুভির সেন্সর চাই।
গত বছর ব্যাপারটা শুনে আমি অবাক হয়েছি। ৩৫ মিমি ফরম্যাট ছাড়া কোন সিনেমা বাংলাদেশের সেন্সর বোর্ডে জমা দিলে সেটা সেন্সর সার্টিফিকেট পাবে না। কারণ হল, সেন্সর বোর্ড যেই আইন অনুসরণ করে সিনেমাকে সেন্সর দেয়, সেই আইনে ৩৫ মিমি ছাড়া অন্য কোন ফরম্যাটে সিনেমা বানালে সেটাকে সিনেমা বলে গণ্য করার বিধান নাই। মানে সেই ছবির সেন্সর সার্টিফিকেট পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই।
বলা হয়, আকাশে যত তারা, আইনের তত ধারা। অনেক অকাজের আইন আছে, বিশেষ ক্ষমতা আইন নামে একটা কালা কানুন দিনের পর দিন টিকে আছে কিন্তু প্রযুক্তিবান্ধব আইনের ক্ষেত্রে পাওয়া যায় ঘাটতি।
ডিজিটাল সিনেমার ক্ষেত্রে এই কথাটা চরমভাবে সত্য। একটু আইনের মার্জনা করে নিলেই ডিজিটাল ফরম্যাটে বানানো সিনেমাগুলো সেন্সর বোর্ডে জমা দিয়ে সেন্সর সার্টিফিকেট পাওয়া সম্ভব। কিন্তু সেটা হতে হতে কবে হবে কেউ জানে না।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার, এই সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে। সেক্ষেত্রে সত্যিকার ডিজিটাল বাংলাদেশে ডিজিটাল ফরম্যাটে তৈরি করা সিনেমা সেন্সর সার্টিফিকেটের জন্য বিবেচনায় আনা হবে না, সেটা হতে পারে না। তাহলে আর ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগান দিয়ে লাভ কী ?
তাই সরকারের প্রতি অনুরোধ, এক্ষুণি আইন বদলান। ডিজিটাল ফরম্যাটে ছবি বানানো এবং সেটা সিনেমা হলে চালানোর জন্য যতগুলো আইনি বাধা আছে সবগুলো দূর করুন। তাহলে এই সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ শ্লোগান সার্থক হবে।
এই বিষয়ে প্রখ্যাত পরিচালক মোরশেদুল ইসলামের একটি সাক্ষাৎকার
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মে, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


