মানুষ দুই রকম ভাবে বাঁচে কেউ পাগলামী করে আর কেউ পাগল হয়ে। এটা একান্তই আমার ধারণা। আমি কখনোই জীবন নিয়ে খুব সিরিয়াস করে ভাবিনি। নিজের মত করে একটা ঘর তৈরীর আশা আমারও আছে। কিন্তু অট্টালিকার বা মোহবিষ্ট জীবন কখনোই কল্পনা করিনি।
কিন্তু আমার চারপাশ প্রতি নিয়ত ভাবিয়ে তুলছে আর বিষবাষ্পে বাষ্পায়িত করছে। আমি দাঁড়িয়ে আছি কিন্ত আমার পৃথিবী ঘুরছে ঘুরছে আপনারও। ঘুরতে ঘুরতে আমাদের ঘরে এসে হানা দিচ্ছে যখন আমার থাকছি অন্য ভূবণে।
জীবন সংগ্রাম করছে সবাই জীবিত মানুষ। না জীবিত জীবও তবে মানুষই মনে হয় কিছু ভিন্নতা নিয়ে চির উজ্জ্বল এই মহাবিশ্বে। তার বৈশিষ্ট- শিষ্টতা ও নৈতিকতা। আমি বেঁচে থাকতে চাই মানুষের কাছে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সম্মান, স্নেহ আর মানবিকতা নিয়ে। কিন্তু প্রতিনিয়তই আমার সত্ত্বা বিকোনো হচ্ছে আবিষ্ট পরিবেশ আর প্রতিবেশে। এমন ক্লান্ত অবষন্ন সময়ে আমার দরজায় এসে একজন ক্লান্ত পুরুষ প্রশ্ন করে- ঘুষ নেয়া আর বসের অনুরোধে নীতি বর্হিভূত কাজ করা কি এক নয়?
আমি উদাস হয়ে তাকিয়ে দেখি দুটি মৌমাছি আর একটি প্রজাপতি উড়াউড়ি করছি একটি গন্ধরাজ ফুলকে ঘিরে। এখান থেকে কেউ মধু নিচ্ছে, কেউ মধু দিচ্ছে আর কেউ সঞ্চিত মধু আহরণ করে বিকোবে হাটে।
আমার মাথা ভার করে দিয়ে অযাত্রার পথে চলে গেল সেই প্রশ্নকারী। একাকী দাঁড়িয়ে একই প্রশ্ন বিদ্ধ নীড়ে এই আমি হাত বাড়ালাম প্রত্যাশায় আগামীর উত্তরের……..

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


