
শিশু জিহাদের সংবাদটি আমাদেরকে নতুন করে মনে করে দিলো আবারো আসলে আমরা বাঙালী গোতা জাতী এখন সেই বোকাদের পালায় পড়ে আসি ।
না হলে যেখানে সাধারনতো দুই তলা কিংবা তিন তলা থেকে একটি উপযুক্ত প্রাপ্ত বয়স্ক লোক মাটিতে পড়লে বাঁচবে কি না তার কোন আসা থাকে না সেখানে আমরা ভাবি কি করে ৬০০ ফুট মানেইতো প্রায় ৪৫ তলা বিল্ডিং সম পরিমান উচ্চতা সেখানে পযন্ত এই সারে তিন বছরের একটি শিশু পরে যাওয়ার পরেও কি করে শিশুটি সুস্থ থাকে এবং সুস্থ ভাবে কথা বলে ।
এতাই সত্য জিহাদ নামে কোন শিশু এখন পযন্ত ওখানে আসলে পড়ছে কিনা সেটাই চিন্তার বিষয় ।
অথচ আমরা গত কাল বিকেল থেকে সকলে একই কামনা প্রার্থনা করে এসেছি জিহাদ ফিরে আসুক। কিন্তু জিহাদ কি করে ওখান ফিরে আসবে সে তো ওখনে নেই ।
তাহলে জিহাদ নামের শিশুটি কোথায় তার মায়ের কোন ভূমিকাই নাই । আর তার বাবা এ বিষয় কিিছু বলতে চাইছে না ।
যেখানে বিশষজ্ঞরা শিশুটি উদ্ধারে শেষাবধি রাত ২টার দিকে ওই গর্তের মধ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন বোর হোল ক্যামেরা পাঠানো হয়। সেই ক্যামেরা ২৫৪ ফুট গভীরে যায়। উপরে কম্পিউটারের মনিটরে গর্তের সব চিত্র দেখা যায়। এর গভীরতায় কোনো মানব দেহের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।
সেখানে আমরা বিষয়টি কি ভাবে মেনে নেবো তা আপনাদের কাছে ছেড়ে দিলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

