
আগামী ৩রা নভেম্বরের ভোটে ডেমোক্রেটিক দল আশা করছে, তারা কংগ্রেসের উভয় কক্ষে ( সিনেট ও হাউস অফ রিপ্রেজেন্টটেটিভ ) মেজোরিটি পাবে। সিনেট নিয়ে এখনো সন্দেহ আছে।
২০২৪ সালে আমেরিকায় ভোট হয়েছিলো; সেটা ছিলো জেনারেল ইলেকশান, যাতে প্রেসিডেন্টও নির্বাচিত হয়েছে; ইহা ছিলো প্রেসিডেন্সিয়াল ইলেকশান। সেই ইলেকশানে প্রেসিডেন্টের সাথে হাজারখানেক প্রতিনিধিও নির্বাচিত হয়েছিলো।
আসছে ৩রা নভেম্বর আবারো জেনারেল ইলেকশান হচ্ছে, ইহা হবে মিডটার্ম জেনারেল ইলেকশান; এবারের ইলেকশানে প্রেসিডেন্ট ব্যতিত সব ধরণের সরকারী প্রতিনিধি নির্বাচিত হচ্ছে; মুল হচ্ছে: সিনেট ( ১০০ সীটের মাঝে ৩৫ সীটের ভোট ), হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ (৪৩৫ সীট ), গভর্ণর (৩৬ রাজ্যের ), ৪৬ রাজ্যের রাজ্য-সভার ৬১৩৭ জন আইন-প্রনয়নকারী, মেয়র, লোক্যাল প্রতিনিধি (ওয়ার্স লেভেল), এটর্নি জেনারেল, বিচারক, ষ্টেইট-সেক্রেটারীসমুহ।
আমেরিকান ইলেকশানের যেকোন প্রতিনিধি ভোটে অংশ নেয়ার নমিনেশন পায় সাধারণ ভোটারদের থেকে, এখানে দলের নেতৃত্বের কোন হাত নেই; দলীয় নমিনেশন নেয়ার জন্য দলের প্রাইমারাী ভোটে অংশ নিতে হয়; ডোমোক্রেট দল বা রিপাবলিকান দলের নমিনেশন ভোট আলাদাভাবে হয়। প্রাইমারী ভোটে নির্বাচিত হলে, জেনারেল ভোটে বিপক্ষ দলের প্রার্থীর সাথে যে জয়ী হয়, সে নির্বাচিত পাবলিক প্রতিনিধি।
সিনে টরদের মেয়াদ ৬ বছর, হাউস অফ রিপ্রেজেন্ট টেটিভদের মেয়াদ ২ বছর; প্রতি জেনারেল ইলেকাশনে ৩ ভাগের ১ ভাগ নিনেটর ভোটে যায়; কিন্তু ৪৩৫ জন কংগ্রেসম্যানের ভোট হয়। গভর্ণরেরা ৪ বছরের জন্য; মাত্র ২ রাজ্যে ২ বছরের জন্য।
আমেরিকায় ভোটার হতে হয় নিজ চেষ্টায়; বয়স ১৮ বছর হলে, স্হানীয় পোষ্ট অফিস থেকে ভোটার ফরম নিয়ে পুরণ করে দিলে, ভোটার লিষ্টে নাম উঠে যায়।
এখন, আমেরিকার সিনেট ও হাউস অফ রিপ্রেজেন্টটেটিভে বিপাবলিকানরা মেজোরিটি: সিনেটে ১০০ সীটের মাঝে ৫৩ সীট তাদের; হাউস অফ রিপ্রেজেন্টটেটিভের ৪৩৫ সীটের মাঝে ২১৮টি রিপাবলিকানদের ও ২১৪ সীট ডেমোক্রেটিকদের।
আমি আরো ৩/৪টি পোষ্ট দেবো, পড়লে মন্তব্য করবেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




