ক্ষমা করতে না পারলে পড়া নিষেধ।
ভাল না লাগলে বলবেন,
''বালও হয় নাই"
আমরা জাতি হিসেবে বড় অকৃতজ্ঞ। কিংবা আমরা আমাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে ভয় পাই বা আমাদের আত্নসম্মান বোধে বাধে এবং সংক্ষেপে একে আমরা একে একটি মাত্র শব্দ দিয়েই প্রকাশ করা যায় "অকৃতজ্ঞ"।
সবার কথা বাদ। কারণ সবার কঠা বলার মত অত তথ্য কিংবা যোগ্যতা আমার নেই। তবে চেষ্টা করে দেখি আত্নসমালচনা করার। এই ব্যাপারে আমি সফল না হলেও চেষ্টা করি ব্যর্থতার বিপরীত দিকে যাওয়ার জন্য।
আমি ইমতিয়াজ আহমেদ ইমন গড় গড় করে ইংরেজী ষিনেমার নাম যেমন বলে দিতে পারি, তেমন কিন্তু পারিনা বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের উপর নির্মিত সিনেমার নাম। আমার যেমন সিনেমার নায়ক কিংবা নায়িকার উপর আগ্রহ আছে, তেমনি আমার কোন আগ্রহ নেই আমাদের মুক্তিযোদ্ধাদের উপর। আমি যেমন আজ শিহরিত হই লাদেন-বুশ কিংবা সাদ্দাম-বুশের হাতাহাতি দেখে কিন্তু আমি শিহরন জাগাতে পারিনি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণের বাজী রেখে লড়ে যাওয়া লড়াই দেখে। যদিও আমার সামনে পড়ে আছে তাদের মহান আত্নত্যাগের অমর গাঁথা। এখন আমি চরম রোমাঞ্চ আর উৎকন্ঠা নিয়ে পড়ি জেমস বন্ড কিংবা মাসুদ রানা। এই বুঝি তারা শত্রুর একটি গুলিতে প্রাণ হারাল, কিন্তু কই যারা জীবন বাজী রেখে আমাকে বাংলায় বই পড়ার সুযোগ করে দিয়ে গেল তাদের কথা আমি পড়িনা। একবারও মনে করিনা তাদের আত্নত্যাগের কথা আমাদের দেশের জন্য, আমাদের জন্য, আমার জন্য।
এই যে এত গুলা লিখললাম তা শুধু লিখার জন্যই। পরমূহূর্তেই আমি তা ভুলে যাব। ফিফটি ফার্ষ্ট ডেট মুভিতে একটা চরিত্র আছে 10 সেকেন্ড টম, যার মেমোরী মাত্র 10 সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী। আমরা কিংবা আমিই বা তার চেয়ে কম কি?
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।







