
চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে মুক্তির অব্যর্থ ও কার্যকর তত্ত্ব (বিফলে মূল্য ফেরত)
বিএনপি চেয়ারপারসন ও ২০ দলীয় জোট নেতা খালেদা জিয়া হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি দিয়ে নাশকতা উসকে দিয়েছেন। পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে হত্যার দায় তিনি এড়াতে পারেন না। কাজেই তিনি খুনি।
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নাশকতা দমনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার দায়-দায়িত্ব নিজে নেওয়ার ঘোষণা দেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে ‘ক্রসফায়ার’ ও ‘বন্দুকযুদ্ধে’র নামে বিচার বহির্ভূত যেসব হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তার দায় তিনি এড়াতে পারেন না। কাজেই তিনিও খুনি।
চলমান রাজনৈতিক সংকট থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব এই দুই খুনি নারীর থাবা থেকে দেশ ও জাতিকে রক্ষা করা। কীভাবে মিলবে পরিত্রাণ? সহজ কাজ, মস্তিষ্কে অস্ত্রোপাচার। দুজনের ঘুনেধরা বুড়ো মগজ পাল্টে ছোট্ট শিশুদের টাটকা মগজ ভরে দিতে হবে। তারপর একসাথে তাদের বসিয়ে দিতে হবে পুতুল খেলায়। বৃহস্পতিবার পুতুল নিয়ে ঝগড়াঝাঁটি খুনাখুনি খেলেই কাটুক তাদের সময়। এতে অন্তত অসময়ে অপঘাতে অনেক মানুষ মৃত্যু হতে রক্ষা পাবে। দেশ ও দেশের মানুষ তাদের হাতে নিরাপদ নয়।
দেশ আর জাতি নিজেদের প্রয়োজনে আপনগতিতে এগিয়ে যাবে। যুগের প্রয়োজনেই জন্ম নিবে নতুন নেতা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




