somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু জোকস...

২৪ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

1.
ম্যাডামঃ সো সুইট!! কতো লক্ষ্মী একটা
ছেলে তুমি!! আমি তো তোমাকে খুবই পছন্দ করি!!
বাচ্চাঃ তাহলে আমি আমার আম্মু-আব্বুকে
আপনার বাসাতে পাঠাই??
ম্যাডামঃ মানে!? বাসায় পাঠাবে মানে??
কেনো পাঠাবে??
বাচ্চাঃ মানে তারা যাতে আরও আলাপ আলোচনা করতে পারে!! এখুনি ঠিক করে ফেলা ভালো।। নইলে দেখা গেলো আপনি অন্য কাউকে আমার জায়গা দিয়ে ফেললেন, আর আমার তো তখন সর্বনাশ হয়ে যাবে!!
ম্যাডামঃ কি সব আজেবাজে কথা বলছো ?? X(
.
.
.
.
.
.
.
.
বাচ্চাঃ প্রাইভেট পড়ানোর জন্য ম্যাডাম!! ম্যাডাম, আসলেই সারাদিন আজগুবি সব হিন্দি চ্যানেল, স্টার প্লাস আর স্টার জলসা দেখে দেখে আপনার মাথা পুরাপুরি গেছে!! ;)

2.
জীবন নিয়ে হতাশ ভার্সিটি পড়ুয়া এক স্টুডেন্ট সুইসাইড করতে রেল লাইনের উপর শুয়ে পড়লো ..

ট্রেন খুব কাছে চলে আসছে এমন সময় সে লাফ দিয়ে উঠে পড়ে রেললাইন থেকে সরে গিয়ে বললোঃ
.
.
.
.
.
.

"ধুস শালা!!! সুইসাইড করতে আসছি এইডা তো ফেসবুকে স্ট্যাটাসই দেই নাই ...!!" :P

3.
আমাদের SSC আর HSC লেভেল এ দুইটা উপন্যাসই পরকীয়া প্রধান...!!

যার মধ্যে "হাজার বছর ধরে" তে মেয়েদের কে শিখানো হইছে কিভাবে জামাই কে ফাঁকি দিয়ে পরকীয়া করা যায়...!! . .

আর "পদ্মা নদীর মাঝি" তে ছেলেদের কে শিখানো হইছে কিভাবে বউকে ফাঁকি দিয়ে পরকীয়া করা যায়..!!

পুরাই পরকীয়াময় পড়ালেখা.... :P:P:P

4.
যখন প্রাইমারিতে পড়তাম তখন আমাদের এক শিক্ষক ছিলেন গণিত পড়াতেন।
ভালো পড়ানোর পাশাপাশি তাঁর একটা জিনিস খুব মুগ্ধ হয়ে দেখতাম সেটা হল
পান খাওয়া। তিনি এত সুন্দর করে পান খেতেন যে আমার
জিহ্বাতে পানি চলে আসত। বলা যায় পান খাওয়ার স্টাইলটাকে তিনি শিল্পের
পর্যায়ে নিয়ে গেছিলেন।
তিনি মুখে একসাথে দুইটা পান ঢুকিয়ে বলতেন, “এই দ্যাখ দুইটা ঢুকালাম।
একটা বাম চাপাতে চিবাবো আরেকটা ডান চাপাতে স্টক হিসাবে থাকবে”।
বলেই আয়েসি ভঙ্গিতে পান চিবানো শুরু করতেন।পানের পিক যখন তিনি সুরুত
করে টেনে ভিতরে নিতেন তখন মনে হত তিনি রসগোল্লার সুরা খাচ্ছেন।
আর এই পান খাওয়ার স্টাইল দেখে আমার মনে বদ্ধমুল হয়ে গেছিল যে, পান এই
জগতের সবচেয়ে সুস্বাদু খাদ্য বস্তু, এটার স্বাদ না পাইলে মানব জনম বৃথা।
কিন্তু কিভাবে দোকান থেকে পান কিনে খাওয়া যায় এই বুদ্ধি মাথায় আসছিল
না। কারন আমি তখন ছোট। এদিকে আমার শয়নে, স্বপনে সব জায়গায় এখন “পান”
আর “পান”।
একদিন সাহস করে স্কুলের পাশে পানের দোকানে গিয়ে নির্লিপ্ত
ভঙ্গিতে বললাম,
-কাকা একটা পান দেন আমার স্যারে চাইছে।
-জর্দা বেশি দিমু?
মনে মনে ভাবলাম জর্দা বেশি দিলে টেস্টও বেশি হবে তাই বললাম,
-বেশিই দেন
-চুন?
-ঐটাও।
-খয়ের?
-দেন তো কাকা সব বেশি করে দেন।
দোকানদার পানটা বানিয়ে সেটা আমার হাতে ধরিয়ে দিলেন।আমি জ্বল জ্বল
করে ওটার দিকে তাকিয়ে আছি। ঠিক যেন “লর্ড অব দ্যা রিংস” মুভির
“স্মিগলের” মত। আংটি হাতে নিয়ে যেভাবে বলে , “My precious ring”
পান হাতে নিয়ে পড়লাম ফাপরে।কই গিয়া খাই।স্কুলের চিপা খুজতে লাগলাম।
শেষ পর্যন্ত একটা চিপা পাইয়া পানটা মুখে দিয়া ফেললাম আর সাথে সাথেই
শুরু হল জর্দা, চুন আর খয়েরের ট্রিপল একশন। শুধু মনে হল আমার মুখের ভিতর
কেও আগুন দিছে আর কান দিয়ে ধোয়া বের হচ্ছে। নিজেকে ইট ভাটার
চিমনি মনে হতে লাগল।
তারপরের ঘটনা খুব সংক্ষিপ্ত। স্যারের হাতে ধরা খাওয়া, বাসায় মায়ের
হাতে প্যাদানি খাওয়া ইত্যাদি।
যাই হোক জগতের “পান” নামক সুস্বাদু বস্তুর স্বাদ আস্বাদনের আমার®
অভিজ্ঞতাটা সুখকর ছিল না। :|

5.
দুই গণিতবিদ জঙ্গলে বেড়াতে গিয়ে দেখলো ভুলে খাবার আনা হয়নি । :(( বাধ্য হয়ে তারা গেলো শিকার করতে । একটা পাখি উড়ছিলো আকাশে । দু'জনই গুলি চালালো । পাখিটার ছয় ফুট ডান দিয়ে একটি আর ছয় ফুট বাম দিয়ে আরেকটি গুলি চলে গেলো...পাখি পালিয়ে গেলো । তখন তারা চিন্তা করে দেখলো দুদিকের দুটো ছয় ফুট গড় করলে বলা যায় গুলিটি একেবারে মাঝ বরাবর গিয়েছে এবং পাখিটা মারা গিয়েছে...তারপর তারা খুশি মনে ফিরে গেলো । :P

6.
অফিসে দুই সহকর্মীর মধ্যে কথা হচ্ছে। প্রথম সহকর্মী বলছে, ‘বুঝলেন ইদ্রিস সাহেব, বুদ্ধি থাকলে সবই হয়। আমার বুদ্ধি আছে বলেই বড় খরচের হাত থেকে বেঁচে গেলাম!’ :|

দ্বিতীয় সহকর্মী এতক্ষণ কাজে ডুবে থাকলেও যখন খরচ থেকে বেঁচে যাওয়ার কথা শুনল, তখন কান খাড়া করল, ‘কী রকম?’

প্রথম সহকর্মী আবার বলতে শুরু করল, ‘সেদিন আমার ছোট ছেলেটা চিড়িয়াখানায় যাওয়ার জন্য বায়না ধরল। অনেক করে বোঝালাম। কিন্তু কে শোনে কার কথা। চিড়িয়াখানায় সে যাবেই। অজগর সে দেখবেই। এরপর আমি বুদ্ধি করে বাড়িতে বসিয়েই অজগর দেখিয়ে দিলাম।’

দ্বিতীয় সহকর্মী বেশ অবাক হলেন, ‘বলেন কী! বাড়িতে অজগর পেলেন কোথায়?’

.
.
.
.
.
.


প্রথম সহকর্মী হাসতে হাসতে বললেন, ‘একটা কেঁচো ধরে আনলাম। তারপর একটা আতশী কাঁচ দিয়ে সেই কেঁচোটাই দেখিয়ে বললাম, এই দেখো অজগর।’ B-)

7.

ব্যবসা কি??

বাবাঃ আমি তোমাকে আমার পছন্দের মেয়ের সাথে বিয়ে দিতে চাই

ছেলেঃ না, তা হবে না

বাবাঃ মেয়েটি হচ্ছে বিল গেট্‌সের মেয়ে

ছেলেঃ তাহলে ঠিক আছে

বাবা চলে গেলেন বিল গেট্‌সের কাছে

বাবাঃ আমি আপনার মেয়ের সাথে আমার ছেলের বিয়ে দিতে চাই

বিল গেট্‌সঃ না, তা সম্ভব না

বাবাঃ আমার ছেলে হচ্ছে বিশ্ব ব্যাংকের CEO

বিল গেট্‌সঃ তাহলে ঠিক আছে

বাবা চলে গেলেন বিশ্ব ব্যাংকের প্রেসিডেন্টের কাছে

বাবাঃ আমার ছেলেকে বিশ্ব ব্যাংকের CEO হিসাবে নিয়োগ দিন

প্রেসিডেন্টঃ না

বাবাঃ আমার ছেলে হচ্ছে বিল গেট্‌সের মেয়ের জামাই

প্রেসিডেন্টঃ তাহলে ঠিক আছে

এটাই হচ্ছে ব্যবসা । ;)

8.
মেয়ে : আমার মোবাইলটা বেশিরভাগ
সময় আম্মুর হাতে থাকে।
ছেলে : তাহলেতো বিপদ
যদি ধরা পরে যাই?
মেয়ে : চিন্তা করনা আমি তোমার নাম
low battery নামে সেভ
করে রাখছি, তুমি কল করলেই আম্মু আমার
কাছে ফোন চার্জ দিতে বলে।

এই হলো ডিজিটাল মেয়ে .... :)

9.
এক ছেলে ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপলোড
করেছে—
আজ স্কুলে অংক পরীক্ষার খাতা দিবে, তাই
স্কুলে যাইনি! /:)
শিক্ষক সেখানে কমেন্ট করল
.
.
.
.
.
.
.
তুই অংকে জিরো পাইছস! দাঁড়া,একটু পরেই
খাতার ছবি আপলোড কইরা তোর
বাবারে ট্যাগ করতাছি !!! X(

- সংগৃহীত!
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১৩ রাত ৯:২৭
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৭:৩২

আইন, রাজনীতি ও বাস্তবতা: নিষিদ্ধ করলেই কি সমাধান?


গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় একটি মৌলিক নীতি হলো- অভিযোগ থাকলে তার বিচার হবে আদালতে, প্রমাণের ভিত্তিতে, স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কোনো রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কিছু ছবি ‍কিছু কথা-----------

লিখেছেন মোঃ মাইদুল সরকার, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:১১

-----------------



ব্লগে পোস্ট দিব দিব করে আর দেওয়া হচ্ছে না্। ঈদের ছুটিতে প্রায় ১৫ দিন ছিলাম গ্রামের বাড়ি। তখনও লিখবো করে আর মোবাইল হাতের কাছে পাই না..........বাচ্চা কাচ্চা খেলা ধুলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমেরিকার বর্ণবাদী লরা লুমার এবং ভারতীয় মিডিয়া চক্রের বিপজ্জনক ঐক্য

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৪


লরা লুমার নামে আমেরিকায় একজন ঘৃণ্য বর্ণবাদী, কট্টর ডানপন্থী রাজনৈতিক কর্মী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব আছেন। তিনি ট্রাম্পের অনুগত হিসেবে পরিচিত। তার মুখের ভাষা এত জঘন্য যে ট্রাম্পের অনেক ঘোর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শূন্য বুক (পিতৃবিয়োগ)

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৫:৩৪


চার
রোববার বেলা ১১টার মধ্যে জাহাঙ্গীর গেটের সামনে এসে পৌঁছাল গাড়ি। মৃণাল আগে থেকেই প্রস্তুত হয়ে বসেছিল। চালক উত্তরা এসে ফোন করেছিল। যাহোক, স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে মা-বাবা আর মামার সঙ্গে বারডেমে চলল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ওয়াশিংটন থেকে বেইজিং: বাংলাদেশের নতুন কূটনৈতিক সমীকরণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৬ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫


মার্চ ২০২৬-এর ক্যালেন্ডার বলছে, বাংলাদেশের কূটনীতি নতুন দিকে মোড় নিয়েছে । একই সময়ে বাংলাদেশের তিনজন হেভিওয়েট ব্যক্তিত্ব আমেরিকার মাটিতে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান নিউ ইয়র্কে ব্যস্ত নিজের ক্যাম্পেইনে। সেনাপ্রধান জেনারেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×