অনেক সাধারন সহজ সরল মানুষ বুঝতে পারছেন না শেখ হাসিনা পদত্যাগ করলেই যখন জামাত বিএনপির এই তান্ডব, খুন খারাবি থামে তখন এই সামান্য কয়দিনের জন্য কেন তিনি পদত্যাগ করছেন না। তিনি তা করছেন না জামাতের যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর পরিকল্পনা ব্যার্থ করে দিতে।
জামাত এই নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। তাই নির্বাচন হোক সেটা জামাত চায় না। তাদের একমাত্র এজেন্ডা হচ্ছে শাস্তিপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী ঠেকানো ও ট্রাইবুনালের কাজ স্থগিত করা। বিএনপির তারেক জিয়া- হাওয়া ভবন অংশের পরিকল্পনা হচ্ছে প্রধানমন্ত্রি পদত্যাগ করলেই তারা জামাত শিবিরের মাধ্যমে দেশে মারত্মক সন্ত্রাস শুরু করে তত্বাবধায়ক সরকারকে বিপদে ফেলে দেওয়া। তারপর ভোটের দিন চরম সন্ত্রাস করে নির্বাচন বানচাল করা। তখন আর্মী থাকবে তত্বাবধায়ক প্রধানের হাতে। সে জরুরী অবস্থা জারী করবে অনির্দিষ্ট কালের জন্য যতদিন না সন্ত্রাস থামে। যেহেতু তার রাজনৈতিক ব্যাকআপ নাই, তার সাহস হবে না যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসী বাস্তবায়ন। বন্ধ হয়ে যাবে ট্রাইবুনালের কাজ।
শেখ হাসিনা পদত্যাগ না করলে কোন কারনে যদি নির্বাচন বাতিল হয় (যেমন সন্ত্র্রাস) তাহলে জরুরী অবস্থা জারী করবে শেখ হাসিনা। তারেক-জামাতের কুটকৌশল ব্যার্থ হবে। অনেকেই এই বিষয়টা না বুঝে অযথা দোষ দিতে ব্যাস্ত। জামাত হচ্ছে সরিসৃপের মত ভয়ংকর, শৃগালের মত ধুর্ত। তাদের নিয়ে খেলতে গেলে বুদ্ধি করে চলতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ডিসেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


